kalerkantho


অকালমৃত্যুর কারণ হতে পারে...

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০




অকালমৃত্যুর কারণ হতে পারে...

বংশগত : অনেকেরই বংশগতভাবে আয়ু কম হয়। অর্থাৎ, আপনার পূর্বপুরুষ যেমন আয়ু লাভ করেছেন, তাঁর কাছাকাছি আয়ু আপনিও লাভ করবেন, এমনটাই সাধারণ অর্থে প্রযোজ্য। তবে এর ব্যতিক্রমও রয়েছে।

 

কর্মক্ষেত্র : কর্মক্ষেত্রে মাত্রাতিরিক্ত মানসিক চাপে থাকলে আয়ু কমে—এটা সাধারণ ধারণা। যদিও গবেষকরা বলছেন, এর বিপরীত বিষয়টিও প্রযোজ্য। অর্থাৎ, যারা দীর্ঘদিন ধরে কর্মক্ষেত্রে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে এবং দীর্ঘদিন কর্মক্ষম থাকে তাদের আয়ু বেশি হয়। অন্যদিকে কর্মক্ষেত্রকে যারা তেমন গুরুত্ব দেয় না, তাদের আয়ু কমে যায়।

সারা দিন বসে থাকা : কর্মক্ষেত্রে কিংবা বাড়িতে যারা সারা দিন বসে থাকে, তাদের অকাল মৃত্যু হতে পারে। এ ছাড়া বাড়িতে যাঁরা টিভির সামনে বসে থাকে তাদেরও শারীরিক কার্যক্রম যথাযথভাবে হয় না। আর শরীর সচল না রাখার কারণে তাদের দেহে নানা ধরনের রোগ বাসা বাঁধে এবং অকাল মৃত্যু ডেকে আনে।

পিছিয়ে পড়া : যারা নানা ক্ষেত্রে সমবয়সীদের তুলনায় স্বাস্থ্যগত বিষয়ে পিছিয়ে পড়ে, শেষ পর্যন্ত তাদের অনেকেই অকালে মারা যায়।

এ জন্য স্বাস্থ্য নিয়ে সব সময় সচেতন থাকতে হবে।

ওজন তুলতে কষ্ট : যাদের শারীরিক কাজের সক্ষমতা কম থাকে, আদতে তারা কম আয়ু পায়। এ ক্ষেত্রে ওজন তুলতে কষ্ট হওয়ার অর্থ হলো, শরীরের মাংসপেশির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া। আর এটি বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ারও লক্ষণ।

স্বাস্থ্যশিক্ষা : উচ্চশিক্ষিত মানুষের গড় আয়ু বেশি হয়। এর কারণ হিসেবে জানা যায়, উচ্চশিক্ষিতরা সঠিকভাবে জীবনযাপনের পদ্ধতি জানে এবং তা প্রয়োগ করে। অন্যদিকে কম শিক্ষিতরা নানা কারণে অকালে মৃত্যুমুখে পতিত হয়।

ফক্স নিউজ অবলম্বনে ওমর শরীফ পল্লব


মন্তব্য