kalerkantho


বগুড়ায় গ্রেপ্তার এড়াতে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া   

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



বগুড়ায় পুলিশের অভিযানের সময় গ্রেপ্তার এড়াতে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যুর হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। গতকাল সোমবার ভোরের দিকে শেরপুর উপজেলার শিমলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম সাহেব আলী (৫৫)। তিনি ওই গ্রামের মৃত হাসান আলীর ছেলে।

নিহতের স্বজন আব্দুল মালেক মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের জানান, তাঁদের গ্রামে জমিতে সেচ দেওয়া নিয়ে সাহেব আলী ও আবু সাঈদের লোকজনের মধ্যে গত ১ ফেব্রুয়ারি মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে সাহেব আলীর পক্ষের একজন গুরুতর আহত হয়। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছিল। কিন্তু আবু সাঈদের ছেলে শাহীন গত ৬ ফেব্রুয়ারি শেরপুর থানায় ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। এই মামলার ৮ নম্বর আসামি ছিলেন সাহেব আলী।

গতকাল ভোরের দিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুজ্জোহা একদল পুলিশ নিয়ে শিমলা গ্রামে আসামি ধরতে যান। সাহেব আলীকে ধরতে গেলে তিনি ও তাঁর ছেলে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন।

একপর্যায়ে তাঁরা পাশের ফুলজোড় নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ছেলে সাঁতরে নদীর ওপারে যেতে পারলেও সাহেব আলী নদী পার হতে পারেননি। তিনি একপর্যায়ে ডুবে যান।

ঘটনার পরে স্থানীয় গ্রামবাসী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় সাহেব আলীকে উদ্ধার করে প্রথমে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে দুপুরের দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। বগুড়া ছিলিমপুর টাউন ফাঁড়ি পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই শাহ আলম ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শামসুজ্জোহা সাংবাদিকে বলেন, ‘আমি মামলার তদন্ত করতে শিমলা গ্রামে গিয়েছিলাম। পুলিশ যাওয়ার খবর শুনে সাহেব

আলী পালিয়ে যান। তদন্ত করে আমি থানায় চলে আসি। পরে তাঁর মৃত্যুর খবর শুনি। ’

 


মন্তব্য