kalerkantho


‘ঘুমপাড়ানি’ খাবার

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



‘ঘুমপাড়ানি’ খাবার

দুগ্ধজাত সামগ্রী : দুগ্ধজাত বেশ কয়েকটি খাবার ঘুম আনতে সহায়ক। এসব খাবার দেহকে শিথিল করে এবং শরীরকে ঘুমিয়ে পড়তে উৎসাহ দেয়।

দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। এ ক্যালসিয়ামই মূল ভূমিকা রাখে।

কাজু বাদাম : কাজু বাদামে আছে প্রচুর পরিমাণে ট্রাইপটোফ্যান। এ অ্যামাইনো এসিড মেলাটোনিন উৎপাদন করতে সহায়তা করে। মেলাটোনিনকে বলা হয় ‘ঘুমের হরমোন’। এ ছাড়া কাজু বাদামে রয়েছে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম, যা মাংসপেশির অস্বাভাবিকতা দূর করে এবং ঘুমের জন্য দেহকে প্রস্তুত করে।

কলা : কলা শুধু প্রচুর ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবারই নয়, এতে রয়েছে আমাদের দেহে ঘুম আনার উপাদানও। কলার প্রাকৃতিক চিনি, পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম আমাদের দেহে ট্রাইপটোফ্যান তৈরি করে। এটি মস্তিষ্কে প্রবেশ করে ঘুম আনতে সহায়তা করে।

আখরোট : আখরোটে আছে প্রচুর ট্রাইপটোফ্যান, যা মেলাটোনিন উৎপাদন করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এ হরমোনটি রক্তে বেড়ে গেলে ঘুমও বেড়ে যায়।

কুমড়ার বীজ : কুমড়ার বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জিংক, ম্যাগনেসিয়াম ও ট্রাইপটোফ্যান। এগুলো দেহ শিথিল করে এবং ঘুম আনতে সহায়তা করে। যে কারো ঘুমের সমস্যা থাকলে কুমড়ার বীজ ভেজে খেয়ে নিতে পারেন।

ভাত : ভাত খাওয়ার পর অনেকেরই ঘুম আসে। এর কারণ ভাতে কিছু উপাদান রয়েছে, যা ঘুম আনতে সহায়ক।

তৈলাক্ত মাছ : তৈলাক্ত মাছে রয়েছে এমন কিছু উপাদান, যেগুলো মেলাটোনিন উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। তৈলাক্ত মাছে রয়েছে কিছু এসিড, যেগুলো রক্ত থেকে স্ট্রেস হরমোন কমায়। এতে মানসিক চাপ কমে সহজেই ঘুম আসে।

ওয়েবসাইট অবলম্বনে ওমর শরীফ পল্লব


মন্তব্য