kalerkantho


আইইউবির সমাবর্তনে শিক্ষামন্ত্রী

স্থায়ী ক্যাম্পাসে না গেলে ভর্তি বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



স্থায়ী ক্যাম্পাসে না গেলে ভর্তি বন্ধ

ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-এর (আইইউবি) ১৮তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। ছবি : কালের কণ্ঠ

আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে না পারলে নতুন ভর্তি বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি বলেন, ‘কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এখনো ন্যূনতম শর্ত পূরণ করতে পারেনি।

তাদের আর বেশি দিন চলার সুযোগ দেওয়া হবে না। যাঁরা একাধিক ক্যাম্পাস পরিচালনা করছেন, যাঁরা মুনাফার লক্ষ্য নিয়ে চলতে চান, তাঁদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থাসহ নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ করে দেওয়া হবে। ’

গতকাল রবিবার রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) ১৮তম সমাবর্তনে সভাপতির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। আইইউবির ১৮তম সমাবর্তনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্নকারী এক হাজার ৪১৯ জন শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

সমাবর্তনে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান রাশেদ চৌধুরী, উপাচার্য এম ওমর রহমান, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ও ইএসটিসিডিটির চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার প্রমুখ।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও নতুন জ্ঞান অনুসন্ধান করতে হবে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সৃষ্ট জ্ঞান আমাদের জাতির মৌলিক ও বিশেষ সমস্যাগুলোর সমাধান দিতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও গুণগতমান বৃদ্ধির জন্য অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এ জন্য বিষয় বাছাই, শিক্ষাক্রম উন্নয়ন, শিক্ষাদানের পদ্ধতি অব্যাহতভাবে উন্নত ও যুগোপযোগী করতে হবে।

সমাবর্তন বক্তার বক্তব্যে ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপারসন স্যার ফজলে হাসান আবেদন বলেন, ‘আমাদের একমাত্র দায়িত্ব উন্নয়নের জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা, তাহলেই দরিদ্র মানুষ নিজেরাই নিজেদের দারিদ্র্যপীড়িত অবস্থার উত্তরণ ঘটাতে সক্ষম হবে। ’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ফজলে হাসান আবেদ বলেন, ‘তোমাদের অধিকাংশই নিজের ক্যারিয়ার তৈরি, কর্মক্ষেত্রে উন্নতি এবং নিজেদের পরিবার-পরিজন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বে। এর পরও তোমাদের এই পরিবর্তনশীল পৃথিবীর বিভিন্ন চ্যালেঞ্জসমূহ—যেমন জঙ্গিবাদ, জলবায়ু পরিবর্তন, মহামারি এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বিকাশ লাভকারী আগ্রাসন মোকাবিলায় ভূমিকা রাখতে হবে। ’

ব্র্যাকের চেয়ারপারসন বলেন, ‘বিশ্ব আজ চরম দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য একতাবদ্ধ। তবে এই দারিদ্র্য দূরীকরণ আজ আর কোনো অলীক স্বপ্ন নয়। তবে বিশ্ববাসী এখন বাংলাদেশকেই সারা বিশ্বের উন্নয়নের মডেল হিসেবে দেখছে। ’


মন্তব্য