kalerkantho


নগরকান্দায় দুর্ঘটনার পর বাসে আগুন

বেওয়ারিশ হিসেবে ছয়জনের লাশ দাফন, পুলিশের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর   

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



বেওয়ারিশ হিসেবে ছয়জনের লাশ দাফন, পুলিশের মামলা

নরসিংদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হিরা মিয়ার স্ত্রী ও সন্তানদের আহাজারি। ছবি : কালের কণ্ঠ

ফরিদপুরের নগরকান্দায় সড়ক দুর্ঘটনার পর বাসে আগুন লেগে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জনের লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় দাফন করেছে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম। এর আগে বিকেলে দাফনের জন্য মৃতদেহগুলো আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করে জেলা প্রশাসন।

হস্তান্তরের আগে মৃতদেহগুলোর ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নগরকান্দা উপজেলার গজারিয়া এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে একটি কাভার্ড ভ্যান ও হানিফ পরিবহনের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের পর অগ্নিদগ্ধ হয়ে মোট ১৩ জন মারা যান। এর মধ্যে গত শনিবার মৃতদেহগুলোর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন এবং ছয়জনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গতকাল আরো একজনের লাশ হস্তান্তর করা হয়। ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের পর বাকি ছয়জনের লাশ গতকাল আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামকে দেওয়া হয়। লাশগুলো গতকাল সন্ধ্যায় জানাজা শেষে শহরের আলীপুর কবরস্থানে দাফন করা হয় বলে জানান ফরিদপুর জেলা আঞ্জুমানের সম্পাদক অধ্যাপক এ এ সামাদ।

ফরিদপুরের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুমন কুমার দাশ জানান, গতকাল বিকেলে নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার মঠবাড়ী গ্রামের মনির সিকদারের লাশ ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে গ্রহণ করেন তাঁর বাবা হাফিজার সিকদার।

গত শনিবার রাতে ভাঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহসিন আলী বাদী হয়ে বাসচালক হেমায়েত হোসেন ও তাঁর সহকারী মো. জুয়েল এবং কাভার্ড ভ্যানের চালক আসাদুজ্জামান ও তাঁর অজ্ঞাতপরিচয় সহকারীকে আসামি করে নগরকান্দা থানায় একটি মামলা করেছেন। নগরকান্দা থানার ওসি এ এফ এম নাসিম বলেন, ‘আমরা জানি সড়ক দুর্ঘটনায় দুই চালক ও তাঁদের দুই সহযোগী মারা গেছেন।

তবে তাঁদের এখনই মৃত বলে ধরা হবে না।


মন্তব্য