kalerkantho


গণমাধ্যমের সংবাদের ব্যাখ্যা

রোহিঙ্গা নির্যাতনের মাত্রা নিরূপণ করেননি ব্রিটিশ হাইকমিশনার

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন নিরূপণ করার দায়িত্ব বাংলাদেশে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের নয় এবং তিনি তা করেননি বলে এক ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে। ব্রিটিশ হাইকমিশনারকে উদ্ধৃত করে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশন গতকাল শুক্রবার এ ব্যাখ্যা দেয়।

গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় যে ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেক গত বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের সময় ‘রোহিঙ্গা নির্যাতন গণহত্যার শামিল’ বলে মন্তব্য করেছেন। তবে ব্রিটিশ হাইকমিশন বলেছে, হাইকমিশনারের বক্তব্য ভুলভাবে উদ্ধৃত করা হয়েছে।

ব্রিটিশ হাইকমিশন জানায়, ‘মিয়ানমারে নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়েছে বা দেখেছে—এমন নারী ও পুরুষদের কাছে সেসব ঘটনার বর্ণনা শুনে হাইকমিশনার আতঙ্কিত ও আবেগতাড়িত হয়েছেন। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা ঘটনাগুলোর মতোই তাঁরা ভয়ংকর সহিংসতা ও অপরাধের বর্ণনা দিয়েছেন। ভয়ংকর নির্যাতনের শিকার হয়েছে এবং শারীরিক ও মানসিক ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছে—এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে হাইকমিশনার সাক্ষাৎ করেছেন। ’

ব্রিটিশ হাইকমিশন জানায়, ‘তবে এসবের (অপরাধ ও সহিংসতা) মাত্রা গণহত্যা বা জাতিগত নির্মূল কি না, তা হাইকমিশনার নিরূপণ করতে পারেন না বা তিনি তা করেননি। তবে ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোনো সন্দেহ নেই যে ভুক্তভোগীরা তাঁকে যে বর্ণনা দিয়েছে তা নিরাপত্তা অভিযানের গ্রহণযোগ্য মাত্রার চেয়ে বেশি। ’

ব্রিটিশ হাইকমিশন জানায়, ‘হাইকমিশনার বাংলাদেশ সরকার, আইওএম, ডাব্লিউএফপি, ইউএনএইচসিআর, ইউনিসেফসহ অনেক স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার জরুরি মানবিক সহায়তামূলক কাজের কথা স্বীকার ও প্রশংসা করেন। এ কাজে ইউকেএইডের সহায়তায় তিনি গর্বিত।

তবে প্রয়োজনের মাত্রা অনেক বেশি। সহিংসতার সব অভিযোগ তদন্ত করা ও দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা নিশ্চিত করাসহ আরো কী করা যায়, সে ব্যাপারে যুক্তরাজ্য দেখবে। ’

ব্রিটিশ হাইকমিশন আরো জানায়, ‘যাদের সঙ্গে তিনি (হাইকমিশনার) দেখা করেছেন তাদের কাছেই বারবার শুনেছেন বাংলাদেশ গ্রহণ করায় তারা কৃতজ্ঞ। ’


মন্তব্য