kalerkantho


ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তৈরি ন্যানো স্যাটেলাইট যাচ্ছে মহাকাশে

বিডিনিউজ   

৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



জাপানে অধ্যয়নরত বাংলাদেশের ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তৈরি করা ‘ন্যানো স্যাটেলাইট’ মহাকাশে উেক্ষপণের জন্য জাপান  অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার দুপুরে জাপানের কিউশু ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (কেআইটি) স্যাটেলাইটটি হস্তান্তর অনুষ্ঠান ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের মহাখালী ক্যাম্পাসে সরাসরি সম্প্রচার করা হয় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। সেটি হস্তান্তর করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ সাদ আন্দালিব এবং কিউশু ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির প্রেসিডেন্ট ইউজি অই। এ সময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন কিউটেক ল্যাবরেটরি অব স্পেসক্রাফট এনভায়রনমেন্ট ইন্টারকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরিচালক মেংগু চো, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. খলিলুর রহমান এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী, যাঁরা বর্তমানে কিউশু ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত। ‘ন্যানো স্যাটেলাইটটি’ জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির মাধ্যমে মার্চ মাসে মহাকাশে উেক্ষপণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সৈয়দ সাদ আন্দালিব বলেন, ‘ন্যানো স্যাটেলাইটের মতো প্রযুক্তি কিভাবে বানাতে হয় তা শিক্ষার্থীরা শিখে নিয়েছে এবং আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপটে যে ইস্যুগুলো আছে সেগুলো দিয়ে শিক্ষার্থীরা নতুন নতুন স্যাটেলাইট তৈরি করতে পারবে। আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল, এই প্রযুক্তিটা শিখে নেওয়া, কেননা পরবর্তী সময়ে যেন আমাদের শিক্ষার্থীরা নিজেরাই স্যাটেলাইটের ডিজাইন থেকে শুরু করে সামগ্রিক কাজটা নিজেরাই করতে পারে। সেটাই আমরা শুরু করলাম। ’

ন্যানো স্যাটেলাইট প্রকল্পের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. খলিলুর রহমান বলেন, ‘ন্যানো স্যাটেলাইটটির মাধ্যমে আমাদের তৈরি প্রযুক্তি স্থানান্তর হচ্ছে, এতে জাতি হিসেবে আমরা এগিয়ে গেলাম। ’

গত বছরের জুন মাসে ন্যানো স্যাটেলাইট নির্মাণ ও মহাকাশে তা উেক্ষপণের জন্য জাপানের ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির সঙ্গে চুক্তি করে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়। ন্যানো স্যাটেলাইটটির নকশা তৈরি থেকে শুরু করে এর চূড়ান্ত কাঠামো তৈরির কাজ করেছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী রায়হানা শামস ইসলাম, আবদুল্লা হিল কাফি ও মাইসুন ইবনে মানোয়ার।


মন্তব্য