kalerkantho


টাম্পাকো দুর্ঘটনা

ডিএনএ পরীক্ষায় তিন শ্রমিকের পরিচয় শনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



ঢাকার উপকণ্ঠ টঙ্গীর টাম্পাকো ফয়েলস লিমিটেড কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের প্রায় পাঁচ মাস পর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাণ হারানো তিন শ্রমিকের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেল ৫টার দিকে ওই তিন শ্রমিকের মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গ থেকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তাঁরা হলেন কিশোরগঞ্জের মৃত আব্বাস আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩৫), লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার শিবপুরের আবু তাহেরের ছেলে রিয়াজ হোসেন মুরাদ (২১) এবং সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ খানিশাইল গ্রামের হাজী আব্দুল করিমের ছেলে রেদওয়ান আহমেদ (৩২)।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গ সূত্রে জানা যায়, গতকাল বিকেলে রফিকুল ইসলামের লাশ গ্রহণ করেন তাঁর স্ত্রী নার্গিস বেগম। রিয়াজ হোসেনের লাশ গ্রহণ করেন তাঁর বাবা আবু তাহের। রেদওয়ান আহমেদের লাশ গ্রহণ করেন তাঁর ভাই সুফিয়ান আহমেদ।

টাম্পাকো কারখানার এ দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ৯ শ্রমিকের ডিএনএ পরীক্ষা করে তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত হতে মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। তাঁদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকি ছয়জনের মরদেহ এখনো মর্গে রয়েছে। টঙ্গী থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার গতকাল বলেন, ডিএনএ রিপোর্ট পজিটিভ আসায় এই তিনজনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আজ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক আজ বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেবেন।

গত সেপ্টেম্বরে টাম্পাকো ফয়েলস লিমিটেডের অগ্নিকাণ্ডে ৩২ জন নিহত ও ৪০ জন গুরুতর আহত হয়। নিহত প্রতিজন শ্রমিকের পরিবারকে দুই লাখ, গুরুতর আহতদের চিকিৎসা বাবদ ৫০ হাজার এবং আহতদের ৩৫ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। নিহত ও আহতসহ মোট ৭২ শ্রমিক পরিবারের মধ্যে আহত একজনের ৫০ হাজার টাকা আগেই দেওয়া হয়েছে। বাকি ৭১ জনের পরিবারের মধ্যে মোট ৮২ লাখ ১৫ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করা হবে।

 


মন্তব্য