kalerkantho


গোলটেবিল বৈঠকে অভিমত

জলবায়ু তহবিলের হিস্যা আদায় এখন বড় চ্যালেঞ্জ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহায়তা গ্রহণের জন্য সক্ষম দেশীয় কোনো প্রতিষ্ঠান এখনো গড়ে তোলা যায়নি। যে কারণে আন্তর্জাতিক তহবিল থেকে ন্যায্য হিস্যা আদায় করাই এখন আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গতকাল বুধবার এক গোলটেবিল বৈঠকে জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা এ অভিমত জানান।

রাজধানীর ফার্মগেটে আজিম-উর রহমান কন্ফারেন্স হলে গতকাল দুপুরে আয়োজন করা হয়েছিল ‘২০১৫-পরবর্তী জলবায়ু অর্থায়ন : প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক। উন্নয়ন সংগঠন নেটওয়ার্ক অন ক্লাইমেট চেঞ্জ বাংলাদেশ (এনসিসিবি) ট্রাস্ট এ বৈঠকের আয়োজন করে। ট্রাস্টের চেয়ারপারসন জয়ন্ত অধিকারীর সভাপতিত্বে বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন পিকেএসএফের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমেদ। আলোচনায় অংশ নেন ইআরডির উপসচিব মো. ইখতিয়ার হোসাইন, সিআরইএলের চিফ অব পার্টি আবু মোস্তফা কামাল উদ্দিন, ট্রাস্ট ফান্ডের সদস্য মীর্জা শওকত আলী, বাংলাদেশ পরিবেশ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি কামরুল ইসলাম চৌধুরী, ব্রুট ফর দি ওয়াল্টের দক্ষিণ এশীয় প্রতিনিধি পামেল মিটচার, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) প্রতিনিধি মিহির বিশ্বাস, আন্তর্জাতিক জলবায়ু পলিসি বিশেষজ্ঞ থমাস হিরসচ, বিইউপির নির্বাহী পরিচালক ড. নিলুফার বানু, অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্টের (এএসডি) উপ-নির্বাহী পরিচালক মোজাম্মেল হক, সিএসএসের প্রধান পরামর্শক গোবিন্দ চন্দ্র সাহা, সিডিপির নির্বাহী প্রধান সৈয়দ জাহাঙ্গীর হাসান মাসুম প্রমুখ।

প্রধান অতিথি ড. কাজী খলীকুজ্জামান বলেন, ‘জলবায়ু তহবিলে আন্তর্জাতিক দাতারা তাদের প্রতিশ্রুত অর্থ দিতে নানা টালবাহানা করছে। এর পরও যে তহবিল আছে, তা থেকে সহায়তা গ্রহণের জন্য এখনো আমাদের কোনো প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যায়নি। আন্তর্জাতিক সহায়তা গ্রহণে আমাদের দ্রুত সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। ’

মূল প্রবন্ধে সিপিআরডির নির্বাহী পরিচালক মো. শামছুদ্দোহা বলেন, প্যারিস চুক্তির পর গ্রীণ ক্লাইমেট ফান্ড গঠন করা হয়েছে।


মন্তব্য