kalerkantho


ফিটনেস

মেদহীন পেটের জন্য লড়াই

৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



মেদহীন পেটের জন্য লড়াই

বয়স বাড়ছে, সেই সঙ্গে বাড়ছে ভুঁড়িটা। অবস্থা এমনই যে এগিয়ে যাওয়ার দৌড়ে শরীরের অন্য সব অংশকে ছাড়িয়ে গেছে এই অংশটি।

আর এ নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই। থাকবে না কেন, পেটটির জন্য কতই না অস্বস্তি। হাঁটাচলায় সমস্যা তো আছে, স্বাভাবিক প্রায় সব কাজেও অস্বস্তি। একটু জোরে হাঁটলেই হাঁসফাঁস অবস্থা। আর তাই মেদহীন পেটের অধিকারী হতে কতই না চেষ্টা। তবে একটু চেষ্টা করলে সহজেই মেদহীন পেটের অধিকারী হওয়া যায়। আর সে জন্য যেমন দরকার ব্যায়াম, তেমনি খাবার তালিকার প্রতিও মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন।

বেশি পানি পান : আমাদের শরীরের ৭০ শতাংশই পানি। পানির উপস্থিতিতেই শরীরের বিপাকীয় ক্রিয়া চলে।

আর তাই যখন শরীরে পর্যাপ্ত পানি থাকে, তখন বিপাকীয় ক্রিয়াটা চলে স্বাভাবিকভাবে। যার অর্থ স্বাভাবিক নিয়মে আমরা যে খাবার খাই, তা সহজে হজম হতে পানির প্রয়োজন। আর পর্যাপ্ত পানি পানের অর্থ, মেদহীন পেটের পথে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া।

লবণাক্ত খাবার এড়িয়ে চলা : লবণজাতীয় খাবার, যেমন—প্যাকেটজাত খাবার, চিপস, ফাস্ট ফুড এড়িয়ে যেতে হবে। সংরক্ষিত খাবারে সাধারণত বেশি লবণ থাকে। এ কারণে এই সব খাবার খাওয়ার আগে লবণের পরিমাণটা জেনে নেওয়া ভালো। স্বাদের জন্য লবণ প্রয়োজন হলেও অতিরিক্ত লবণ শরীরের জন্য খারাপ। কেননা লবণ পানি শোষণ করে নেয়। এ কারণে অনেক সময় শরীর পানিশূন্যতায় ভোগে।

ফাস্ট ফুড থেকে দূরে থাকা : আজকাল প্রায় সব ঘরেই ফ্রিজ আছে। আর ফ্রিজ থাকা মানে অস্বাস্থ্যকর সব খাবারের সমারোহ। এসব অস্বাস্থ্যকর খাবার সরিয়ে ফ্রিজে তাজা ফল ও শাক-সবজিকে স্থান করে দিতে হবে। তা ছাড়া খাদ্য রান্নার সময় বেশিক্ষণ চুলায় না রাখা ভালো। কেননা বেশি সময় তাপে রাখলে খাবারের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়ানোর জন্য সাপ্তাহিক খাবারের একটি তালিকা তৈরি করা যেতে পারে। এতে করে আগামী এক সপ্তাহে কী কী খাওয়া দরকার এবং কী কী খাবার থেকে দূরে থাকতে হবে, তা সহজেই বোঝা যাবে।


মন্তব্য