kalerkantho


১০-১৮ বছর কারাবন্দি ২০ জনকে হাইকোর্টে হাজির করার নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



বিভিন্ন মামলায় ১০ থেকে ১৮ বছর ধরে কারাবন্দি ২০ ব্যক্তিকে হাইকোর্টে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্টের আলাদা দুটি বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে গতকাল মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

একই সঙ্গে কেন তাদের জামিন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। এ ছাড়া ওই বন্দিদের মামলার নথি তলব করেছেন আদালত। ওই ২০ বন্দির মধ্যে ১০ জনকে ২৩ ফেব্রুয়ারি, পাঁচজনকে ২৬ ফেব্রুয়ারি এবং বাকি পাঁচজনকে ২৮ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে হাজির করতে কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইডের প্যানেল আইনজীবী সৈয়দা সাবিনা আহমেদ মলি ওই ২০ বন্দির বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান ও বিচারপতি এস এইচ মো. নূরুল হুদা জায়গীরদারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এক আদেশে ১০ জনকে ২৩ ফেব্রুয়ারি আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন। এ ছাড়া বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চ বাকি ১০ জনের বিষয়ে আদেশ দেন। প্রথম আদেশের ১০ বন্দি হলেন—মৌলভীবাজারের মুয়াগাঁওয়ের ফারুক হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সোনামুড়া গ্রামের সেলিম মিয়া, হবিগঞ্জের বেগমখালের রাজু জগন্নাথ, সুনামগঞ্জের কাউকান্দি গ্রামের বশির উদ্দিন, জামালপুরের চর চড়সী গ্রামের হাবিবুর রহমান ওরফে ইসমাইল, সাতক্ষীরার ইটাগাছার মনিরুজ্জামান মুন্না, সাতক্ষীরার ইসলামপুরের নাসিরুদ্দিন, সাতক্ষীরার গিয়াস উদ্দিন, ঝিনাইদহের শিবনগরের হায়দার আলী এবং পিরোজপুরের মধ্য সোনাখালীর রফিকুল ইসলাম রাজা।

শেষের আদেশের ১০ বন্দি হলেন—ময়মনসিংহের নটাকুড়ি গ্রামের নজরুল ইসলাম, ময়মনসিংহের নওপাড়া গ্রামের সিরাজ, ময়মনসিংহের কুকসাইর গ্রামের আলম মিয়া, রাজশাহীর বখতিয়ারপুর গ্রামের মতিউর, রাজশাহীর তেঁতুলিয়া মাউথপাড়া গ্রামের ফয়েন উদ্দিন, পাবনার পুষ্পপাড়ার কাইলা কালাম, নাটোরের মুনারপাড়ার মো. আবদুল খালেক, যশোরের আলাদিপুরের অপূর্ব দাস, খুলনার সিরিরামপুরের মো. তৈয়ব শেখ এবং পিরোজপুরের কলাখালীর মো. সুমন ওরফে নুরুজ্জামান।


মন্তব্য