kalerkantho


সংসদে আইন পাস

উড়তে সক্ষম সব যন্ত্র বেবিচকের নিয়ন্ত্রণে থাকবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



বিমান, ড্রোন, গ্লাইডারসহ উড়তে সক্ষম সব যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করবে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। গতকাল সোমবার রাতে জাতীয় সংসদে এ-সংক্রান্ত আইন ‘বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বিল-২০১৭’ পাস হয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বিলটি উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে অধিবেশনে বিলটি নিয়ে আলোচনাকালে বিরোধী দলের সদস্যরা এর ওপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু কণ্ঠভোটে তা নাকচ হয়ে যায়। এর আগে মন্ত্রী বিলটির ওপর জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। গত ২৫ জুলাই মন্ত্রী ১৯৮৫ সালের দ্য সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অর্ডিন্যান্সকে বাংলায় অনুবাদ ও পরিমার্জন করে নতুন আইন করার জন্য বিলটি উত্থাপন করেন।

সংসদে পাস হওয়া বিল অনুয়ায়ী একজন চেয়ারম্যান ও ছয়জন সদস্য নিয়ে এই কর্তৃপক্ষ গঠিত হবে। বিলে বলা হয়েছে, এই কর্তৃপক্ষ ‘যে যন্ত্র বায়ুমণ্ডলে ভর করিয়া ভাসিতে পারে, যাহাতে বদ্ধ বা মুক্ত বেলুন, এয়ার শিপ, ঘুড়ি, ড্রোন, গ্লাইডার এবং উড্ডয়নরত সকল যন্ত্র’ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। নতুন আইনে কর্তৃপক্ষের কাজ তদারকির জন্য ১২ সদস্যের একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন গভর্নিং বডি গঠনের বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে। বিমানমন্ত্রী এর সভাপতি হবেন।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরাও গভর্নিং বডির সদস্য থাকবেন। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সদস্যসচিব হবেন।

বিলে কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও সদস্য নিয়োগ, সভা, ক্ষমতা ও কার্যাবলি, প্রশাসন, অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা, ভূমি ও সম্পত্তি অধিগ্রহণ, ক্ষমতা অর্পণ ও দায়িত্বভার, সরকারি ফি বা কর এবং সেবা ফি আরোপ ও আদায়ের ক্ষমতা, কর্তৃপক্ষের তহবিল, বাজেট, হিসাব ও নিরীক্ষা, প্রবেশাধিকার, এয়ার স্পেস নিয়ন্ত্রণ, অনুসন্ধান, কমিটি গঠন, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার উদ্যোগে বা অর্থায়নে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, বার্ষিক প্রতিবেদন দাখিলসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধানের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।


মন্তব্য