kalerkantho


শিশুর দুর্ঘটনা এড়াতে...

৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০




শিশুর দুর্ঘটনা এড়াতে...

যখন ঘুমাবে : নিরাপদে ঘুমানোর জন্য শিশুকে চিত করে ঘুম পাড়াতে হবে; উপুড় করে নয়। পাড়যুক্ত ও অতিরিক্ত মোটা কম্বল মুখ ঢেকে শিশুর শ্বাস-প্রশ্বাসে বাধার সৃষ্টি করতে পারে।

তাই শিশু ঘুমানোর সময় যথাসম্ভব সাধারণ সামগ্রী ব্যবহার করুন। ঘুমানোর সময় শিশুর কাছে বাড়তি কোনো জামা-কাপড, টুপি ও খেলনা রাখা যাবে না। এগুলো অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ ডেকে আনতে পারে।

 

যখন হাঁটবে : শিশু যেন হঠাৎ করে সিঁড়িতে যেতে না পারে সে জন্য সতর্ক থাকুন। সম্ভব হলে সিঁড়িতে যাওয়ার আগে নিরাপত্তা দরজা বসান। শিশুকে উঁচু চেয়ারে বসাতে হলে বেল্টসহ চেয়ার ব্যবহার করুন। এ ছাড়া চেয়ার বসাতে হবে সমতল মেঝেতে। শিশু নতুন হাঁটা শিখলে কিংবা বেবি ওয়াকার ব্যবহার করলে তাকে বৈদ্যুতিক তার, গরম জিনিসপত্র, সিঁড়ি ও অন্যান্য বিপদ থেকে নিরাপদ রাখুন।

বাড়ির আসবাবপত্র : শিশুর ওপর পড়তে পারে এমন কোনো ফার্নিচার বা জিনিসপত্র থাকলে তা দেয়ালের সঙ্গে বা অন্য কোথাও ভালোভাবে আটকে দিন।

শিশুরা প্রায়ই ছোট ছোট জিনিস মুখে গুঁজে দেয়। তাই শিশুকে খুব ছোট খেলনা দেবেন না। এ ছাড়া পাঁচ বছর হওয়া পর্যন্ত শিশুর খাবারে সতর্ক থাকতে হবে, যেন তা গলায় আটকে না যায়। দিয়াশলাই ও লাইটার শিশুর হাত থেকে নিরাপদ রাখুন। রান্নার চুলা, ইস্ত্রি, হেয়ার ড্রায়ার এবং এ ধরনের বৈদ্যুতিক সামগ্রী ব্যবহারের সময় সতর্ক থাকতে হবে।

ওষুধ : সব ধরনের ওষুধ শিশুর নাগালের বাইরে রাখুন। শিশু যদি কোনো ওষুধ খেয়ে ফেলে তাহলে তাকে বমি করানোর চেষ্টা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আপনার বাড়ির নিকটবর্তী চিকিৎসক ও ফার্মেসির ফোন নম্বর সংগ্রহ করে রাখুন, যেন জরুরি প্রয়োজনে পরামর্শ ও সেবা নিতে পারেন।

সাঁতার : শিশুকে অল্প বয়সেই সাঁতার শেখান। তবে সাঁতার শেখার পরও পানিতে নামার সময় বড় কাউকে সঙ্গে থাকতে হবে। শিশু যদি সাইকেল বা রোলার স্কেটার চালায়, তাহলে সব সময় হেলমেট পরার অভ্যাস করান।

ব্রাইট সাইড অবলম্বনে ওমর শরীফ পল্লব


মন্তব্য