kalerkantho


তথ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ

পাকিস্তান হাইকমিশনে ‘কাশ্মীর সংহতি দিবস’ শিষ্টাচারবহির্ভূত

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



বাংলাদেশে পাকিস্তান হাইকমিশনের ‘কাশ্মীর সংহতি দিবস’ পালনকে শিষ্টাচারবহির্ভূত কূটচাল বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। গতকাল রবিবার দুপুরে ঢাকায় সচিবালয়ে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পাকিস্তান হাইকমিশন গতকালই ঢাকায় কাশ্মীর সংহতি দিবস পালন করে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের তথাকথিত বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের প্রতি পাকিস্তান সহমত পোষণ করে।

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, বাংলাদেশে গণহত্যা এবং জাতিসত্তার ওপরে আক্রমণ করার মাধ্যমে পাকিস্তান যুদ্ধাপরাধ করেছিল। ৪৫ বছর পেরিয়ে গেলেও তারা আজ পর্যন্ত এ ঘটনার জন্য ক্ষমা চায়নি। এমনকি দুঃখ প্রকাশ করে ভুলও স্বীকার করেনি। বরং বিভিন্ন সময়ে সাফাই গেয়েছে। বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে ক্ষমা না চেয়ে পাকিস্তান বরাবরই যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন করেছে। সেখানে কাশ্মিরের জনগোষ্ঠীর জন্য দরদ দেখানোটা মায়াকান্না ছাড়া আর কিছুই নয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, “ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনে ‘কাশ্মির সংহতি দিবস’ পালন ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় সমস্যা বাংলাদেশের মাটিতে টেনে আনার একটি অপকৌশল চালানো ছাড়া আর কিছুই নয়। এটাকে আমি শিষ্টাচারবহির্ভূত একটি ঘটনা বলে মনে করি।

আমার বক্তব্য হচ্ছে, এটা রাজনৈতিক কূটচাল ছাড়া আর কিছু নয়। এ রকম একটি পরিস্থিতিতে আমরা মনে করি, এটা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক রাজনৈতিক অবস্থান। ”

তথ্যমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পাকিস্তান রাষ্ট্র জন্মের পর থেকে এর শাসকগোষ্ঠী ধারাবাহিকভাবে বাঙালি, বেলুচ, পাখতুন, সিন্ধি জাতিসত্তার ওপর সীমাহীন নির্যাতন ও অত্যাচার চালিয়ে আসছে। পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠীর ইতিহাস হচ্ছে, বিভিন্ন জাতিসত্তার মানুষকে দমন ও ধ্বংস করা। এই পাকিস্তান ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জনগোষ্ঠীর ওপর, বাঙালি জাতিসত্তার ওপরে নির্মম গণহত্যা চালিয়েছে, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও যুদ্ধাপরাধ করেছে।


মন্তব্য