kalerkantho


নোয়াখালীতে ওবায়দুল কাদের

মাদক থেকে এ প্রজন্ম না বাঁচলে ভবিষ্যৎ শূন্য

নোয়াখালী প্রতিনিধি   

৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মাদক ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলা সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ। মাদক গ্রাম ও জনপদকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।

একটি প্রজন্ম এ ধ্বংসের শিকার। তাদের রক্ষা করা না গেলে দেশের ভবিষ্যতে শূন্যতা দেখা দিবে। জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, নৈতিকতাকে বিসর্জন দেবেন না। রাজনীতি ঠিক থাকলে সব ঠিক হয়ে যাবে। সব কিছুর জন্য পুলিশকে দোষা ঠিক হবে না। নিজেদের প্রথমে শুদ্ধ হতে হবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে শোষণ, বঞ্চনা দূর করার আহ্বান জানিয়ে জনপ্রতিনিধিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, উন্নয়ন দিয়ে বঞ্চনা ঠেকানো যায় না।

গতকাল শনিবার দুপুরে নোয়াখালীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে ‘কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ-২০১৭’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াছ শরীফের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান আলোচক ছিলেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক।

অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য আয়েশা ফেরদৌস, মামুনুর রশিদ কিরণ, মোরশেদ আলম, এ এইচ এম ইব্রাহীম, নোয়াখালী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. এ বি এম জাফর উল্যা, জেলা প্রশাসক বদরে মুনির ফেরদৌস, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ কাজী রফিক উল্যা, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট গোলাম আকবর প্রমুখ।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘জঙ্গিবাদ ও মাদক কারো বন্ধু হতে পারে না। আমরা সবাই মিলে শপথ নিতে হবে এই অভিন্ন দুই শত্রুকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মোকাবিলা করার। ’ তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবদান ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, কমিউনিটি পুলিশিং হচ্ছে জনগণের সঙ্গে পুলিশের আস্থার সেতুবন্ধ।

আইজিপি শহীদুল হক বলেন, কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে জনগণের কথা পুলিশ জানতে পারবে। কমিউনিটি পুলিশিং হচ্ছে একটি দর্শন। যত দিন রাষ্ট্র আছে তত দিন কমিউনিটি পুলিশিং থাকবে। মানুষের মাঝে যেন অপরাধপ্রবণতা না জন্মায় কমিউনিটি পুলিশিং সে বিষয়ে সতর্ক করে।


মন্তব্য