kalerkantho


বাজেটের অনেক আগেই মুনাফা লোভীরা তৎপর

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



প্রতি বছর বাজেটের আগে একটি চক্র বাজারে সিগারেটের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অবৈধভাবে বাড়তি আয় করে। আগামী বাজেটের এখনো বেশ দেরি।

কিন্তু এরই মধ্যে ওই অসাধু চক্রটি তত্পর হয়ে উঠেছে। তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সিগারেটের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। মানভেদে প্যাকেটপ্রতি দাম বাড়িয়ে দিয়েছে পাঁচ থেকে বিশ টাকা পর্যন্ত। এতে ভোক্তাদের পকেট কাটা গেলেও সরকার বাড়তি কোনো রাজস্ব পাচ্ছে না।

আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কম্পানির অনুমোদিত ডিলার নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য মজুদ রাখতে পারে। এর বাইরে অন্য কেউ বেশি লাভের আশায় পণ্য মজুদ করলে তা বেআইনি ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী অবৈধ মজুদদারির শাস্তি ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।

খুচরা বিক্রেতারা অভিযোগ করেছেন, তাঁরা চাহিদামতো সরবরাহ পাচ্ছেন না। তাই তাঁরা বেশি দামে কিনে বেশি দামেই বিক্রি করছেন।

কিন্তু প্যাকেটের গায়ে লেখা দামের সঙ্গে না মেলায় এ নিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে বেধে যাচ্ছে বিতণ্ডা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, ফ্যাক্টরি থেকে পণ্য বের হওয়ার আগেই সরকারের নির্দিষ্ট কর পরিশোধ করতে হয়। এ কারণে কোনো অবস্থাতেই কম্পানির ইচ্ছায় সিগারেটের দাম বাড়ানোর সুযোগ নেই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনবিআরের একজন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলেন, আগামী বাজেটে সিগারেটের দাম কেমন হবে এ নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। গুজবের ওপর ভিত্তি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা সিগারেট বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলেছেন এবং রাজস্ব আদায়কে ক্ষতিগ্রস্ত করছেন।

মজুদদারির কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সম্প্রতি বগুড়ায় মেরিস ব্র্যান্ড উত্পাদনকারী কম্পানির এক কর্মীকে আটক করেছে। জব্দ করা হয়েছে ত্রিশ লাখ টাকার বেশি মূল্যের ডার্বি সিগারেট। সাভারেও ভ্যানভর্তি ডার্বি ব্র্যান্ডের সিগারেট উদ্ধার করা হয়েছে একই কম্পানির ডিলারের কাছ থেকে। এসব ঘটনায় সাভার ও বগুড়ায় আলাদাভাবে মামলাও হয়েছে।


মন্তব্য