kalerkantho


ঈশ্বরগঞ্জে এক যুবককে থানায় নিয়ে নির্যাতন

তদন্তের নির্দেশ এসপির

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



মাদক সেবন ও বিক্রির অভিযোগে আজহারুল ইসলাম নামের এক যুবককে থানায় নিয়ে রাতভর নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। জামিন পাওয়ার পর গত বুধবার রাতে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে স্বজনরা।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার নির্যাতনের ঘটনা তদন্ত করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার রাতে মগটুলা ইউনিয়নের বৈরাটি গ্রামের কছিম উদ্দিনের ছেলে আজহারুল ইসলামকে (২৮) মাদকসেবী ও মাদক-ব্যবসায়ী সন্দেহে আটক করে থানায় নিয়ে যায় ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন উপপরিদর্শক (এসআই) নুর ই কাশেম।

আজহারের বড় ভাই মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, থানায় নিয়ে তাঁর ভাইকে মারধর করা হয়েছে। এতে সে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। কোনো অভিযোগ দাঁড় করাতে না পেরে পুলিশ পরদিন তাকে ৩৪ ধারায় (পৌর এলাকায় বিরক্তিকর কাজ) আদালতে পাঠায়। তিনি বলেন, গত বুধবার তাঁর ভাই আদালত থেকে জামিন পায়। এরপর তাকে নিয়ে থানায় গিয়ে ওসিকে অবহিত করা হয়।

পরে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু অবস্থা খারাপ হতে থাকলে রাতে ঈশ্বরগঞ্জ সদর হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়।

স্থানীয় সূত্র আরো জানায়, মারধরের ঘটনা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়। পুলিশ সুপার ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সীমা রানী সরকার (গৌরীপুর সার্কেল) অভিযোগ তদন্ত করছেন বলে জানিয়েছেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মো. বদরুল আলম খান।

এসআই নুর ই কাশেম বলেন, তিনি আজহারকে মারধর করেননি। আটক করার পর কিছু লোক তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তখন তড়িঘড়ি করে পুলিশ ভ্যানে ওঠাতে গেলে সে কিছুটা আহত হয়। পরে হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনা তদন্ত করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। ’


মন্তব্য