kalerkantho


নদীরক্ষা টাস্কফোর্সের বৈঠক

রাজধানীর চারপাশের নদীতীরে সাড়ে ৯ হাজার পিলার বসবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



রাজধানীর চারপাশে ৫০ কিলোমিটার এলাকায় সাড়ে ৯ হাজার আরসিসি পিলার নির্মাণ বা পুনর্নির্মাণ করা হবে। নদীবন্দর এলাকায় নদীতটের (ফোরসো) লিজ মানি বিআইডাব্লিউটিএ ছাড়া অন্য কারো কাছে দেওয়া যাবে না।

গতকাল বুধবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত নদ-নদীর সুরক্ষাসংক্রান্ত টাস্কফোর্সের ৩৪তম বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নৌপরিবহনমন্ত্রী ও টাস্কফোর্সের সভাপতি শাজাহান খান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠকে ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রমেশ চন্দ্র সেন ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে জানানো হয়, পুনঃ জরিপ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত নদীর দুই তীরে সব ধরনের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হবে। চট্টগ্রামের হালদা নদীর দূষণরোধ এবং সাভারের চামড়া শিল্পনগরীর কারণে দূষণ রোধে কার্যকরি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হাজারীবাগ থেকে সাভারে এ পর্যন্ত ৪৩টি বড় ট্যানারি স্থানান্তরিত হয়েছে বলে বৈঠকে জানানো হয়। নদীতীরে ধর্মীয় স্থাপনা বিষয়ে ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের ব্যবস্থা করা হবে। নদীরক্ষাবিষয়ক কার্যক্রম গণমাধ্যমে প্রচার ও জনসচেতনতা বাড়ানো হবে। নদীতীরে অবৈধ নির্মাণ বন্ধের লক্ষ্যে নিয়মিত পরিদর্শন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও মানিকগঞ্জের জন্য দুই হাজার ৫৮৬টি সিএস জরিপ ম্যাপ এবং দুই হাজার ৭৩টি আরএস জরিপ ম্যাপ সংগ্রহ করা হবে।   চট্টগ্রামের কর্ণফুলী এবং ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর দূষণ রোধ ও নাব্যতা বাড়ানোর জন্য গঠিত কমিটিতে অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও সংস্থাকে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।


মন্তব্য