kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ভবদহের দুর্ভোগ নিয়ে গণশুনানি

টিআরএম বাস্তবায়ন পানি নিষ্কাশনের একমাত্র সমাধান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



যশোরের অভয়নগর-মণিরামপুর-কেশবপুর উপজেলার মানুষ ত্রাণ নয়, জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে টিআরএমের বাস্তবায়ন চায়। আর এটাই এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার একমাত্র উপায়।

গতকাল বুধবার রাজধানীর মহাখালীতে ব্র্যাক সেন্টার ইন অডিটরিয়ামে আয়োজিত গণশুনানিতে এমন মতামত তুলে ধরেছেন জনপ্রতিনিধিসহ ভুক্তভোগীরা।

পানি অধিকার ফোরামের সহযোগিতায় ‘ভবদহ (অভয়নগর-মণিরামপুর-কেশবপুর) অঞ্চলের স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকারি উদ্যোগ ও জনগণের চাহিদা’ এই গণশুনানির আয়োজন করে এএলআরডি ও বেসরকারি সংস্থা বেলা। বেলার প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সঞ্চালনায় এবং এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে প্রধান অতিথি ছিলেন পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক ও যশোর-৫ আসনের সংসদ সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য।

পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, গঙ্গা বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। টিআরএম বাস্তবায়নই এর একমাত্র সমাধান। তবে আর্থিক সংকটের কারণে তা আগামী মৌসুমের আগে শুরু করা সম্ভব হবে না। তিনি জানান, জমি অধিগ্রহণ না করেও আমডাঙ্গা খাল গভীর খননের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে। আর আগামী মাঘী পূর্ণিমার আগে বাঁধ নির্মাণের যে বিষয়টি আলোচনায় উঠে এসেছে তা বাস্তবায়নে তিনি উদ্যোগ নেবেন।

স্বপন ভট্টাচার্য বলেন, জনগণের ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থার সমাধান করে সবার দাবি পূরণের মাধ্যমে বন্ধুত্বমূলক আচরণের মাধ্যমে টিআরএম করা হবে।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সরকার পদ্মা সেতু, যমুনা সেতুর জন্য যেসব ক্ষতিপূরণ প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল, এখানেও সেই আদলে ক্ষতিপূরণ প্রদানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

কেশবপুর উপজেলার চেয়ারম্যান এইচ এম আমির হোসেনসহ মণিরামপুর ও অভয়নগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরাও গণশুনানিতে বক্তব্য দেন।


মন্তব্য