kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


অধ্যাপক আলী হোসেন হত্যা মামলা

দুজনের স্বীকারোক্তি গাড়িচালক রিমান্ডে

আদালত প্রতিবেদক   

২০ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



দুজনের স্বীকারোক্তি গাড়িচালক রিমান্ডে

ইডেন কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ আলী হোসেন মালিককে (৭০) ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার তিনজনের মধ্যে দুই কর্মচারী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। অন্যজন গাড়িচালককে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

গতকাল বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম এস এম মাসুদ জামান আসামি সায়েদ ফকির ওরফে সাইফুলের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। আরেক কর্মচারী সুজনের জবানবন্দি রেকর্ড করেন মহানগর হাকিম সাজ্জাদুর রহমান। পরে দুজনকে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এ ছাড়া ঢাকা মহানগর হাকিম মাজহারুল ইসলাম নিহতের গাড়ির চালক মাসুদ মালিকের তিন দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাসানটেক থানার উপপরিদর্শক আশিক ইকবাল আসামিদের আদালতে হাজির করেন। দুই আসামি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি দিতে চাইলে তিনি তাদের জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন। আরেক আসামি গাড়িচালককে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়।

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে দুই আসামি জানায়, অধ্যাপক আলী হোসেন ব্যাংক থেকে ১৯ লাখ টাকা তুলে কম্পানির অফিসে সিন্দুকে রেখেছিলেন। সেই টাকা লুট করার জন্য নির্মাণাধীন ভবনটির কর্মচারী সায়েদ ফকির ও সুজনকে সঙ্গে নিয়ে হত্যার পরিকল্পনা করে গাড়িচালক মাসুদ। পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ৯ অক্টোবর ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয় ভবনের বাবুর্চি ও দারোয়ানকে। কিন্তু সেই রাতে আলী হোসেন অফিসে না থেকে বাসায় চলে যান। পরে ১১ তারিখ রাতে আলী হোসেন অফিসেই বিশ্রামে গেলে মাসুদ সায়েদ ফকির ও সুজন মিলে কুপিয়ে হত্যা করে তাঁকে। পরে নিহতের পকেট থেকে চাবি নিয়ে সিন্দুক খুলে তারা এক লাখ ৪০ হাজার টাকা পায়।

সোমবার সায়েদ ফকির ও তার ভাই সুজনকে বরিশালের গৌরনদী থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। আর মাসুদ মালিককে গ্রেপ্তার করা হয় রাজধানীর ভাসানটেক ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে। পরে তাদের কাছ থেকে লুটের এক লাখ ২৮ হাজার ৭৩৫ টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোনসেট উদ্ধার করা হয়।

এদিকে মরদেহ উদ্ধারের দিন আটক অফিস সহকারী সেলিম মিয়াকে প্রথম দফায় পাঁচ দিন রিমান্ড শেষে গত মঙ্গলবার আবারও তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।


মন্তব্য