kalerkantho

মঙ্গলবার। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ । ৯ ফাল্গুন ১৪২৩। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮।


খোলাবাজারে ১৫ টাকা দরে চাল বিক্রি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



খোলাবাজারে ১৫ টাকা দরে চাল বিক্রি

দাম নাগালে রাখতে গতকাল সোমবার থেকে খোলাবাজারে ন্যায্যমূল্যে (ওএমএস) চাল বিক্রি শুরু করছে সরকার। আমন ধান না ওঠা পর্যন্ত ঢাকা মহানগর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগীয় শহরে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করা হবে। একই সঙ্গে ১৭ টাকা কেজি দরে আটা বিক্রিও শুরু হয়েছে। খাদ্য অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রায় দেড় মাস ধরে বাজারে মোটা চালের দাম বাড়ছে। কেজিপ্রতি বেড়েছে আট থেকে ১০ টাকা। এর প্রভাবে বাজারে অন্যান্য চালের দামও চার-পাঁচ টাকা করে বেড়ে গেছে। দাম কিভাবে কমানো যায়—সে বিষয়ে গত সপ্তাহে খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম চালকল মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সে বৈঠকেই খাদ্যমন্ত্রী ওএমএস চালুর ঘোষণা দেন।

ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে খাদ্য অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত ১৯০ ডিলার ১৯০টি ট্রাকে করে চাল ও আটা বিক্রি শুরু করেছে। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে ১২০ ট্রাক, খুলনায় ৪০ ও চট্টগ্রামে ৩০টি ট্রাকের প্রতিটিতে প্রতিদিন দুই টন চাল এবং দুই টন আটা থাকবে। একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ পাঁচ কেজি চাল এবং পাঁচ কেজি আটা কিনতে পারবেন।

গতকাল মতিঝিলে বিক্রি শুরু হয় ওএমএসের চাল। তবে প্রচার না থাকায় সকালের দিকে ক্রেতা কম ছিল। কিন্তু দুপুর ১২টার পর থেকে ভিড় বাড়তে থাকে বলে জানান বিক্রয় প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসেন। চালের মান ভালো হওয়ায় ক্রেতারাও খুশি। লাইনে দাঁড়িয়ে চাল কিনছিলেন দিনমজুর রজব আলী। তিনি বলেন, ‘বাজারে মোটা চালের দাম ৪০ টাকা। অথচ এখানে মাত্র ১৫ টাকা কেজি দরে পাচ্ছি। চালের মানও ভালো। ’

খাদ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (বিপণন ও বিতরণ) সুকুমার চন্দ্র রায় কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আগামী আমন মৌসুমের ধান না ওঠা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরীর আশপাশের শিল্পাঞ্চলসহ প্রাথমিকভাবে তিন বিভাগে ওএমএসের চাল বিক্রি শুরু হলো। চাহিদা থাকলে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিভাগেও চালু করা হবে। ওএমএস কত দিন চালু থাকবে সেটি নির্ভর করছে চাহিদার ওপর। তবে আমরা প্রাথমিকভাবে এটা দুই থেকে তিন মাস চালু রাখব। এর পরও যদি দেখি চাহিদা আছে তা হলে সময় বাড়ানো হবে। ’

সুকুমার চন্দ্র রায় আরো বলেন, ‘গত মাস থেকে অতি দরিদ্রদের কাছে ১০ টাকা কেজি দরে আমরা চাল বিক্রি শুরু করেছি। এর সুফল পাচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষ। ’


মন্তব্য