kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


শাহজালালে ৫২ লাখ টাকার সোনাসহ যাত্রী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৫২ লাখ টাকার সোনাসহ এক যাত্রীকে আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। তার নাম মো. খোরশেদ হোসেন।

গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় শারজাহ থেকে আসা এয়ার অ্যারাবিয়ার জি-৯৫১৭ ফ্লাইটযোগে ঢাকায় অবতরণের পর গ্রিন চ্যানেল পার হওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান কালের কণ্ঠকে জানান, আটক করার পর খোরশেদ তার কাছে আটটি সোনার বার থাকার কথা স্বীকার করে। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মুসারিয়া এলাকায়। বিমান থেকে নামার পরপরই তাকে নজরদারিতে রাখা হয়। তার ব্যাগ তল্লাশি করে সোনা ক্রয়ের একটি রশিদ পাওয়া যায়। তবে শরীরের মধ্যে সোনা থাকায় তিনি একপর্যায়ে অসুস্থবোধ করেন। শাহজালালের কাস্টমস হলে পানি, জুস ও স্যান্ডউইচ খাইয়ে তাকে সুস্থ করা হয়। পরে টয়লেটে নিয়ে তলপেটে চাপ প্রয়োগ করা হয় দীর্ঘক্ষণ। এরপর মেডিক্যালে নিয়ে রেক্টাম অপারেশনের কথা বলা হলে সে নিজেই সোনার বার বের করে দেবে বলে জানায়। পরে টয়লেটে পায়ুপথ দিয়ে একে একে চারটি পার্টি বেলুন বের করে খোরশেদ। মোট  সোনার ওজন এক কেজি ৩৭ গ্রাম।

জিজ্ঞাসাবাদে আটক খোরশেদ জানায়, ইমরান হোসেন রাশেদ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে যৌথভাবে সে এই চোরাচালানের কাজ করে। ইমরান ও সে শারজাহ থাকে। ইমরানের বাড়ি চট্টগ্রামের দৌলতপুরে। দুটি সোনার বার স্কচটেপ দিয়ে পেঁচিয়ে একটি বেলুনে রেখে তা আবার স্কচটেপ দিয়ে পেঁচিয়ে রেক্টামে প্রবেশ করায়। সে এ রকম চারটি বেলুন প্রবেশ করায়। ফ্লাইট অবতরণ করার ৩০ মিনিট আগে আকাশপথে বাথরুমে গিয়ে সে বেলুনগুলো পায়ুপথে পুশ করে। এ জন্য শারজাহতে বিশেষ প্রশিক্ষণ নেয় সে।

ড. মইনুল খান আরো জানান, চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজারে সোনা বিক্রি করে লাভের টাকা তারা দুজন ভাগাভাগি করবে বলে জানায় খোরশেদ। তার বক্তব্যে জানা যায়, এটা একটা ‘টেস্ট কেস’ ছিল। তার পার্টনার ইমরান এখন শারজায় আছে। সফল হলে পরের বার একই কায়দায় সোনা আনত তারা। শারজায় সে ও ইমরান ড্রাইভিংয়ের কাজ করে। তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।


মন্তব্য