kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


জোরালো হয়েছে রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



জোরালো হয়েছে রাজউকের উচ্ছেদ অভিযান

সায়েদাবাদ মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের নিচে গতকাল উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) উত্তরা ও লালমাটিয়া আবাসিক এলাকায় অননুমোদিত গেস্টহাউস, রেস্টুরেন্ট, হোটেল, বারসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান জোরালো করেছে। ফুটপাতে বসানো অবৈধ র‌্যাম্পও ভেঙে দিচ্ছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গতকাল সোমবার রাজউকের (জোন-২) অধীনে উত্তরা এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার জাকির হোসেনের নেতৃত্বে অভিযানে ১১ নম্বর সেক্টরের গরীবে নেওয়াজ এভিনিউতে ৩০ নম্বর হোল্ডিংয়ে একটি ভবনের কার পার্কিংয়ে টপ টেন নামে একটি ফেব্রিকসের দোকানকে আড়াই লাখ ও আল-আরাফাহ ব্যাংককে দুই লাখ টাকা জরিমানা করে ১৫ দিনের মধ্যে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হয়। ১ নম্বর হোল্ডিং ভবনের কার পার্কিংয়ে প্রাইম ইলেকট্রনিকস নামের একটি দোকান ভেঙে দেওয়া হয় এবং ২ নম্বর হোল্ডিং ভবনের কার পার্কিংয়ে ওষুধ ও অন্য কয়েকটি দোকান পাঁচ দিনের মধ্যে অপসারণের জন্য মুচলেকা দেন মালিকরা। এ ছাড়া হোল্ডিং নম্বর ১/বি-এর একটি ভবনের কার পার্কিংয়ের জায়গায় অবৈধভাবে নির্মাণ করা কয়েকটি দোকান অপসারণ করা হয়।

একই দিনে রাজউকের (জোন-৫) অধীনে লালমাটিয়া এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান চলে। অভিযানে ডি-ব্লকের ৪/৪ নম্বর হোল্ডিংয়ে নির্মাণরত একটি দোকানের সেট-ব্যাকের (আবশ্যিক উন্মুক্ত স্থান) অবৈধ স্থাপনার কিছু অংশ অপসারণ এবং বাকি অংশ সাত দিনের মধ্যে সরানোর জন্য মালিকের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। ই-ব্লকের ১/৯ নম্বর হোল্ডিংয়ে ‘আল নূর’ নামের একটি চক্ষু হাসপাতালে পার্কিংয়ের জায়গায় অভ্যর্থনা কক্ষ ও চশমার দোকানকে দুই লাখ টাকা জরিমানা, সেই সঙ্গে তিন দিনের মধ্যে দোকানগুলো অপসারণে মালিক মুচলেকা দেন। এফ-ব্লকের ৩/১ নম্বর হোল্ডিংয়ে আবাসিক এলাকায় বাণিজ্যিক ব্যবহার ও আবশ্যিক উন্মুক্ত স্থানে অবৈধভাবে পরিচালিত রেস্টুরেন্ট কাবাব ও বিরিয়ানির অবৈধ অংশ ভেঙে দেওয়া হয়।


মন্তব্য