kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


টিআই চেয়ারপারসন বললেন

বাংলাদেশে দুর্নীতি রোধে পদ্ধতিগত পরিবর্তন দরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



বাংলাদেশে দুর্নীতি রোধে পদ্ধতিগত পরিবর্তন দরকার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন টিআই-এর চেয়ারপারসন হোসে কার্লোস। ছবি : কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশে দুর্নীতি প্রতিরোধে বেশ কিছু ক্ষেত্রে পদ্ধতিগত পরিবর্তন ও দৃশ্যমান অগ্রগতি দরকার। স্বচ্ছ তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত হলে দুর্নীতি কমে আসবে।

গতকাল সোমবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) চেয়ারপারসন হোসে কার্লোস উগাজ সানেচজ মোরিনো। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এ আয়োজন করে।

নিজ নিজ দেশে দুর্নীতি প্রতিরোধের পাশাপাশি বৈশ্বিক দুর্নীতি প্রতিরোধে সমন্বিতভাবে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বার্লিনভিত্তিক সংস্থাটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারপারসন মোরিনো দুই দিনের সফরে বাংলাদেশে আসেন। গতকাল ছিল সফরের শেষ দিন।

মোরিনো বলেন, বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনকে পদ্ধতিগত পরিবর্তন ঘটিয়ে দুর্নীতি কমাতে হবে। তিনি বলেন, বেশ কিছু ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতে হবে। নির্বাচনে যাতে কেউ অতিরিক্ত অর্থ খরচ করতে না পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। আমলাতান্ত্রিকতা কমাতে হবে। রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে ভালোভাবে সাজাতে হবে। দুর্নীতিবাজদের শাস্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে আরো স্বচ্ছ হতে হবে। নাগরিকের তথ্য পাওয়ার অধিকার সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষাব্যবস্থার আরো উন্নয়ন করতে হবে।

টিআই চেয়ারপারসন বলেন, ‘আমরা আশা করি, দুর্নীতি দমন কমিশন দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে এবং বিচার বিভাগ দুর্নীতিবাজদের শাস্তি নিশ্চিত করবে। দুর্নীতি সবার জন্য অভিশাপ। দুর্নীতি মানবাধিকারকে ক্ষুণ্ন করে। ’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈদেশিক অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইনের কারনে সুধীসমাজের কথা বলার সুযোগ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। আইন প্রণয়নের ব্যাপারে সরকারকে ভালো করে চিন্তাভাবনা করার পরামর্শ দেন তিনি।

টিআইবির চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল ও নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য