kalerkantho


বাহুবলে চার শিশু খুন

অবশেষে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের চার শিশু হত্যার ঘটনায় করা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ অবশেষে শুরু হয়েছে। অভিযোগ গঠনে বিলম্ব এবং সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নিয়োগ নিয়ে জটিলতায় সময়ক্ষেপণের পর গতকাল সোমবার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এদিন দুজনের সাক্ষ্য নেওয়ার পর পরবর্তী দিন ধার্য করা হয়েছে আগামীকাল বুধবার।

গতকাল দুপুর ১২টার দিকে হবিগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ এবং শিশু আদালতের বিচারক আতাবউল্লাহ মামলার বাদী আব্দাল মিয়ার সাক্ষ্য নেওয়া শুরু করেন। শেষ হয় বিকেল ৪টায়। এরপর দ্বিতীয় সাক্ষী আব্দুল আহাদের জবানবন্দি নেওয়া শুরু হয়। শেষ হয় বিকেল ৫টায়। এর আগে কারাগারে থাকা সব আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।

সাক্ষ্যগ্রহণের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট ত্রিলোক কান্তি চৌধুরী বিজন। আসামিপক্ষে সাক্ষীদের জেরা করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট চৌধুরী আশরাফুল বারী নোমান। সরকারি কৌঁসুলি জানান, মামলার সব কিছু ঠিকভাবেই চলছে।

বাদীসহ দুজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। সিলেটের আলোচিত রাজন হত্য মামালার মতো এটিও দ্রুত নিষ্পত্তির সম্ভাবনা রয়েছে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট চৌধুরী আশরাফুল বারী নোমান জানান, বাদীর বক্তব্য এবং মামলার এজাহারে অনেক পার্থক্য রয়েছে। এ মামলার এজাহারে অনেক ফাঁকফোকর রয়েছে। আসামিরা এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। একজন আসামিকে শিশুদের জানাজা থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে সুন্দ্রাটিকি গ্রাম থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে ইছারবিল খালের পাড়ে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় চার শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শিশুরা হলো সুন্দ্রাটিকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র জাকারিয়া শুভ (৮), প্রথম শ্রেণির ছাত্র মনির মিয়া (৭), চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র তাজেল মিয়া (১০) ও সুন্দ্রাটিকি মাদ্রাসার ছাত্র ইসমাইল মিয়া (১০)। তাদের মধ্যে প্রথম তিনজন সম্পর্কে আপন চাচাতো ভাই। আর ইসমাইল তাদের প্রতিবেশী।


মন্তব্য