kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আফসানার মৃত্যু

আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলা রবিনসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



রাজধানীর মিরপুরের সাইক ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজির ছাত্রী আফসানা ফেরদৌসের মৃত্যুর জন্য পাঁচজনকে দায়ী করে মামলা করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও লাশ গুমের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।

অন্যদিকে অপমৃত্যুর মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন অভিযোগ ছাড়াই দাখিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফসানা আত্মহত্যা করেছেন। এরপর কাফরুল থানার ওই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের প্রস্তুতি নেওয়া হয়।

আফসানার স্বজনরা মনে করে, তাঁর অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর জন্য তেজগাঁও কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান রবিনসহ পাঁচজন দায়ী। কাফরুল থানায় এই পাঁচজনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও লাশ গুমের চেষ্টার অভিযোগে মামলা করেছেন তাঁর ছোট ভাই ফজলে রাব্বী। গত ১১ অক্টোবর মামলাটি করা হলেও গতকাল রবিবার এ খবর জানা গেছে।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন রবিনের বাবা আব্দুল হাই, বন্ধু মশিউর রহমান মূসা, সিফাতুল হক সিফাত ও আশিকুল ইসলাম। রবিন পলাতক, তাঁর বাবা গ্রেপ্তারের পর জামিন পেয়েছেন। অন্য তিন জন হাজতে রয়েছেন।

ফজলে রাব্বী বলেন, ‘যেভাবেই আমার বোনের মৃত্যু হোক না কেন, এর পেছনে রবিন আছে। তারা লাশ রেখে পালাতে চেয়েছে। না মারলে কেন পালাবে? ময়নাতদন্তে যা এসেছে তাতে আমাদের কিছু করার নেই। ন্যায়বিচারের আশায় মামলা করেছি। ’ তিনি বলেন, ‘আসল আসামি এখনো ধরা পড়েনি। তাকে ধরলেই রহস্য উন্মোচিত হবে। ’

পুলিশ সূত্র জানায়, গত ২৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ আফসানার লাশের ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন কাফরুল থানায় পাঠায়। তিনি ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে তাতে বলা হয়েছে।

অপমৃত্যুর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাফিজ আহমেদ বলেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে আত্মহত্যার কথা বলা হয়েছে। তাই চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হচ্ছে। তবে ভিকটিমের পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা ও লাশ গুমের চেষ্টার অভিযোগে দণ্ডবিধির ৩০৬/২০১/৫১১ ধারায় অভিযোগ করা হয়েছে। তদন্ত করে এ মামলার প্রতিবেদন দেওয়া হবে। জানতে চাইলে কাফরুল থানার ওসি শিকদার শামীম হোসেন বলেন, রবিনকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।


মন্তব্য