kalerkantho


রাজৈরের কদমবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার কদমবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিধান বিশ্বাসের দায়িত্ব পালনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাঁকে চেয়ারম্যান পদ থেকে কেন অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।

বিচারপতি নাইমা হায়দারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল রবিবার এ আদেশ দেন। একই উপজেলার দীনেশ চন্দ্র বিশ্বাসের করা রিট আবেদনের ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়। আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম ও রিয়াজুর রহমান খান। এর আগে গত ৫ অক্টোবর হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞ্চ এক আদেশে ওই চেয়ারম্যান ও তাঁর আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখনো তাঁকে ধরতে পারেনি।

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া থানার শৌলজালিয়া গ্রামের মোকশেদ আলীর ছেলে মিরাজুর রহমানকে লিবিয়ায় পাঠানোর জন্য আড়াই লাখ টাকা নিয়ে তা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগে বিধান বিশ্বাসের বিরুদ্ধে করা ওই মামলা ঢাকা মহানগর আদালতে বিচারাধীন। মামলায় ২০১৪ সালে বিধান বিশ্বাসের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। সেই থেকে তিনি আদালতের নথিতে পলাতক। এর পরও এই তথ্য গোপন করে তিনি গত ৭ মে ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হন ও বিজয়ী হন, যা বেআইনি। এ বিষয়ে গত ২৩ সেপ্টেম্বর কালের কণ্ঠে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

এরই জের ধরে ওই চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করা হয়েছে।

এ ছাড়া সরকারি গাছ চুরির অভিযোগে ওই ইউপি চেয়ারম্যানসহ বেশ কয়েকজন আসামির বিরুদ্ধে গত ১ সেপ্টেম্বর রাজৈর থানায় তিনটি মামলা হয়। এরপর ওই চেয়ারম্যানের অনুসারীরা হাইকোর্টের বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে এবং এই মানববন্ধনের ছবি ফেসবুকে দেওয়া হয়। এ ঘটনার পর ওই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সুজিত চ্যাটার্জি।


মন্তব্য