kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


গাইবান্ধার ১৪ হত্যার বর্ণনা দিলেন সাক্ষী

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



গাইবান্ধার ১৪ হত্যার বর্ণনা দিলেন সাক্ষী

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াতের সাবেক এমপি আব্দুল আজিজ ওরফে ঘোড়ামারা আজিজসহ ছয় রাজাকারের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন মামলার পঞ্চম সাক্ষী আজিজুল হক সরকার। গতকাল রবিবার বিচারপতি আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া জবানবন্দিতে আজিজুল হক গাইবান্ধার ১৪ জন নিরীহ মানুষকে গুলি করে হত্যার ঘটনা বর্ণনা করেন।

ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী আজিজুল হক সরকার বলেন, ‘আমার ভাই বয়েজ উদ্দিন কলেজে পড়ালেখা করত। একাত্তরের ৯ অক্টোবর কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার সময় তাকে রাজাকাররা ধরে নিয়ে যায়। অনেক চেষ্টা-তদবির করেও তাকে ছাড়াতে পারিনি। পরে আমার ভাইকে ছাড়িয়ে আনতে এলাকার চেয়ারম্যান ছইম উদ্দিন ও মেম্বার মনসুর আলী সরকার পাকিস্তানি সেনা ক্যাম্পে যান। পরে জানতে পারি তাঁদেরও আটক করা হয়েছে। ১৩ অক্টোবর আমরা কয়েকজন তাঁদের ছাড়িয়ে আনতে সেনা ক্যাম্পের কাছে গিয়ে হত্যার ঘটনা জানতে পারি। ১৪ জন নিরীহ মানুষকে গুলি করে হত্যার পর লাশ তিস্তা নদীতে ফেলে দিয়েছে বলে জানতে পারি। ’

সাক্ষী আজিজুল হক সরকারের বাড়ি গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ থানার পাঁচগাছি শান্তিরাম গ্রামে। আসামিদের বিরুদ্ধে জবানবন্দি প্রদানে তাকে ট্রাইব্যুনালে সহায়তা করেন প্রসিকিউটর সায়্যেদুল হক সুমন।

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন এ মামলায় প্রধান অভিযুক্ত সাবেক এমপি আব্দুল আজিজ ওরফে ঘোড়ামারা আজিজ। অন্য অভিযুক্তরা হলেন সুন্দরগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা রুহুল আমিন ওরফে মঞ্জু, মো. আব্দুর রহিম মিঞা, মো. আব্দুল লতিফ, আবু মুসলিম মোহাম্মদ আলী ও মো. নাজমুল হুদা। আসামিদের মধ্যে আব্দুল লতিফ গ্রেপ্তার হলেও বাকি পাঁচজন পলাতক।


মন্তব্য