kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বিচারের জন্য প্রস্তুত তালসরা দরবারের টাকা লুট মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৭ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার তালসরা দরবার থেকে টাকা লুটের ঘটনায় করা মামলার বিচার অবশেষে শুরু হচ্ছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলাটির কার্যক্রম প্রায় চার বছর স্থগিত ছিল।

গতকাল রবিবার চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ বিচার বিভাগীয় হাকিম আ স ম শহীদুল্লাহ কায়সার ওই মামলার অভিযোগপত্রসহ নথি বিচারিক আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ২৯ নভেম্বর ওই মামলার শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম আদালত পুলিশের পরিদর্শক (প্রসিকিউশন) এ এইচ এম মশিউর রহমান জানান, আগামী ধার্য তারিখে মামলার অভিযোগ গঠন হতে পারে। তিনি জানান, মামলার বিচার চলবে চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে।

একই বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা আদালতের সরকারি কৌঁসুলি আ ক ম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী জানান, মামলার অভিযোগ গঠনে আর কোনো বাধা নেই। মামলাটি অভিযোগ গঠনের জন্য প্রস্তুত।

আদালত সূত্র জানায়, মামলার সাতজন আসামি সবাই জামিনে আছেন। তাঁরা গতকাল আদালতে হাজিরা দিয়েছেন। হাজিরা দেওয়া আসামিরা হলেন র‍্যাব-৭-এর সাবেক অধিনায়ক বরখাস্তকৃত লেফটেন্যান্ট কর্নেল জুলফিকার আলী মজুমদার, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট (বরখাস্তকৃত) শেখ মাহমুদুল হাসান, র‍্যাব-৭-এর সাবেক ডিএডি আবুল বাশার, উপপরিদর্শক তরুণ কুমার বসু, র‍্যাবের তিন সোর্স দিদারুল আলম, আনোয়ার মিয়া ও মানব বড়ুয়া।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ৪ নভেম্বর তালসরা দরবারে তল্লাশি চালানোর সময় দুই কোটি সাত হাজার টাকা লুট হয়। এই ঘটনায় দরবারের পীরের গাড়িচালক মো. ইদ্রিস বাদী হয়ে আনোয়ারা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্ত পর্যায়ে ২০১২ সালের মে মাসের প্রথম সপ্তাহে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার হন মামলার অন্যতম প্রধান আসামি র‍্যাব-৭-এর সাবেক অধিনায়ক জুলফিকার আলী মজুমদার। পরে তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান। মামলার তদন্ত শেষে ওই বছরের ২৬ জুলাই তিনিসহ সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা আবদুস সামাদ। ওই বছরই মামলা বাতিল চেয়ে উচ্চ আদালতে আবেদন করেন জুলফিকার আলী ও মাহমুদুল হাসান। গত বছরের ১১ মার্চ জুলফিকারের  আবেদন খারিজ করেন। গত ১৮ আগস্ট মাহমুদুল হাসানের আবেদনটিও খারিজ হয়ে যায়।


মন্তব্য