kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বেতারের রাজশাহী কেন্দ্র

ট্রান্সফরমার চুরি ঘটনার কিনারা হয়নি এখনো

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী   

১৭ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



প্রায় এক বছর আগে বাংলাদেশ বেতারের রাজশাহী কেন্দ্রের অন্তত ২০টি ট্রান্সফরমার চুরি হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত এ ঘটনার তদন্ত শেষ হয়নি।

জানা যায়নি কারা এ ঘটনায় জড়িত।    

অভিযোগ উঠেছে, ঊর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মকর্তা ও গুদামরক্ষকের সহযোগিতায় ট্রান্সফরমারগুলো চুরি হয়েছে। এ কারণে ইচ্ছা করেই তদন্তকাজ এখনো শেষ করা হয়নি।

এ অবস্থায় আজ সোমবার তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর রাজশাহী বেতার পরিদর্শনে আসার কথা রয়েছে।

জানা গেছে, মন্ত্রীর কাছে বিষয়টি তুলে ধরে জড়িতদের খুঁজে বের করার এবং তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলবেন বেতারের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তবে ঊর্ধ্বতন একাধিক কর্মকর্তা চেষ্টা করছেন যাতে বিষয়টি তথ্যমন্ত্রীর কান পর্যন্ত না পৌঁছে। বাংলাদেশ বেতারের রাজশাহী কেন্দ্রের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, নগরীর মতিহারে বিশাল এলাকজুড়ে বাংলাদেশ বেতারের রাজশাহী সম্প্রচারকেন্দ্রের কার্যালয়। এ কেন্দ্রের গুদামে অন্তত ২০টি ট্রান্সফরমার রাখা ছিল। গত বছরের জুলাই-আগস্ট মাসের দিকে ওই ট্রান্সফরমারগুলো সিলগালা করা কক্ষের দরজার হুক খুলে চুরি হয়ে যায়। এ ছাড়া গুদামে রাখা লোহার অ্যাঙ্গেল, লেজার বুক, রেজিস্টার বুক, তামার তারসহ আরো কিছু মূল্যবান জিনিসপত্রও চুরি হয়। গত বছরের ২ আগস্ট গুদামে রঙের কাজ করতে গিয়ে বিষয়টি ধরা পড়ে। অভিযোগ রয়েছে, একজন গুদামরক্ষক ও একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার যোগসাজশে ট্রান্সফরমারগুলো চুরি হয়েছে। ট্রান্সফরমারগুলো বিক্রি করা হয়েছে বেসরকারি রেডিও মালিকদের কাছে।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সূত্রে জানা গেছে, ট্রান্সফরমার চুরির বিষয়টি ধরা পড়ার পর ওই সময় বাংলাদেশ বেতার থেকে সহকারী বেতার প্রকৌশলী কল্যাণ কুমারকে তদন্তভার দেওয়া হয়।

জানতে চাইলে সহকারী বেতার প্রকৌশলী কল্যাণ কুমার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘স্টোরের দরজাটির হ্যাসবল (হুক) ভাঙা ছিল কি না শুধু সেটিই আমাকে তদন্ত করতে বলা হয়েছিল। আমি গিয়ে হ্যাসবল ভাঙা দেখেছি। তবে স্টোরের ভেতরে ঢোকার অনুমতি আমাকে দেওয়া হয়নি। ফলে সেখান থেকে কী চুরি হয়েছে সেটি আমি বলতে পারব না। ’


মন্তব্য