kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কৃষক প্রতিনিধিদের সম্মাননা প্রদান

প্রবীণ কৃষকদের জন্য পেনশন স্কিম চালুর দাবি

১৬ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় অবদান রাখছে এ দেশের কৃষক। অথচ তারাই সব থেকে অবহেলিত।

তারা উৎপাদিত কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত। যে কারণে শেষ বয়সে তাদের মানবেতর জীবন যাপন করতে হয়। এ অবস্থায় সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন নিশ্চিত করতে প্রবীণ (ষাটোর্ধ্ব) কৃষকের জন্য পেনশন স্কিম চালু করতে হবে।

গতকাল শনিবার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে আয়োজিত কৃষক সম্মাননা অনুষ্ঠানে এই দাবি জানানো হয়। বিশ্ব খাদ্য দিবসকে সামনে রেখে বেসরকারি গবেষণা ও উন্নয়ন সংগঠন বারসিক ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) আয়োজিত এই সম্মাননা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পবা চেয়ারম্যান আবু নাসের খান। ডা. লেলিন চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন বারসিকের নির্বাহী পরিচালক সুকান্ত সেন, কৃষক নেতা অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম আরজু, জাতীয় পদকপ্রাপ্ত কৃষক ইউসুফ মোল্লা, কৃষক প্রতিনিধি নূর মোহাম্মদ, শেখ সিরাজুল ইসলাম, ফরিদা পারভিন, কবিরাজ জাহাঙ্গীর আলম, কমলা বেগম, আল্পনা মিস্ত্রী ও কৈলাল্যা মুণ্ডা, তারিক হোসেন মিঠুল ও কে এ তৌহিদুল আলম প্রমুখ।

নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার ফতেপুর গ্রামের কৃষক প্রতিনিধি মো. নাসির আহমেদ অভিযোগ করেন, সরকার কৃষি খাতে ভর্তুকি দিলেও তার সুফল তারা পাচ্ছে না। সার-বীজের ডিলার থেকে শুরু করে স্থানীয় এমপি-চেয়ারম্যান-মেম্বরদের পকেটে ভর্তুকির টাকা চলে যায়। অথচ এক মণ ধান উৎপাদনে ৭০০ টাকা খরচ হলেও তা মাত্র ৫০০ টাকায় বিক্রি করতে হয় তাদের।

সাতক্ষীরার শ্যামনগরের কৃষক প্রতিনিধি শেখ সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, কৃষকরা জমি চাষ করে ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করলেও জমির মালিকানা তাদের নেই। প্রান্তিক কৃষকরাও এখন ভূমিহীনে পরিণত হচ্ছে। কৃষক যদি প্রতিনিয়ত এমন ক্ষতির শিকার হয় তবে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হতে বাধ্য।


মন্তব্য