kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বিশ্ব খাদ্য দিবস আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



বিশ্ব খাদ্য দিবস আজ। বাংলাদেশে দিনটি পালনে নানা কর্মসূচি নিয়েছে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠন।

এবারের প্রতিপাদ্য ‘জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাদ্য এবং কৃষিও বদলাবে’। খাদ্য দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষি গবেষণা কাউন্সিল প্রাঙ্গণে আজ থেকে তিন দিনের খাদ্যমেলার আয়োজন করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। সকালে সংসদ ভবন থেকে বের হবে শোভাযাত্রা।

দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাণীতে রাষ্ট্রপতি খাদ্য চাহিদা ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় পারিবারিক খামার স্থাপনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। উত্তরাধিকার সূত্রে কৃষিজমি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে হস্তান্তরিত হচ্ছে। সেই সঙ্গে দেশের জনসংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে, খাদ্য চাহিদাও বাড়ছে। রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্ধিত জনসংখ্যার জন্য অধিক খাদ্য উৎপাদন, ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট নির্মাণ, শিল্পায়ন ও নগরায়ণের ফলে একদিকে কৃষিজমির পরিমাণ কমছে, অন্যদিকে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব হিসেবে বন্যা, খরা, লবণাক্ততা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিসহ কৃষিজমির উর্বরতা ও উৎপাদনশীলতাও ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে, যা খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনের পথে বড় অন্তরায়। এতদসত্ত্বেও কৃষকের অদম্য মনোবল, কৃষিবিজ্ঞানীদের নতুন নতুন জাত উদ্ভাবনসহ সরকারের বহুমুখী কর্মসূচি গ্রহণের ফলে বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই সরকারে এসেছে, তখনই কৃষিবান্ধব নীতি ও কৌশল গ্রহণ এবং এর সফল বাস্তবায়ন করেছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করে নিরাপদ খাদ্য ও পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করছে। তিনি বলেন, ‘আমরা সার, বীজসহ সব কৃষি উপকরণের মূল্য হ্রাস, কৃষকদের সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে ঋণসুবিধা প্রদান, বিভিন্ন প্রণোদনা প্রদান, নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং কৃষি গবেষণায় ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছি। অভ্যন্তরীণ বাজারে খাদ্যশস্য ও কৃষিজাত পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করেছি।


মন্তব্য