kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথ

নাব্যতা সংকট চলছে খনন

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি   

১৫ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে নাব্যতা সংকট দূর করতে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে খননকাজ। দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট এলাকার আড়াই হাজার ফুট দীর্ঘ চ্যানেলে দুটি ড্রেজার দিয়ে এ খননকাজ চালাচ্ছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডাব্লিউটিএ)।

দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট অফিস সূত্র জানায়, দেশের গুরুত্বপূর্ণ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী লঞ্চে পদ্মা নদী পারাপার হয়। কিন্তু নৌ চ্যানেলের দৌলতদিয়া প্রান্তে পানির প্রয়োজনীয় গভীরতা না থাকা বা নাব্যতা সংকট সৃষ্টি হওয়ায় স্বাভাবিকভাবে চলতে পারছে না লঞ্চগুলো।

বিআইডাব্লিউটিএর ড্রেজিং বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ আগস্ট থেকে দৌলতদিয়ার ১ নম্বর ফেরিঘাটে ভাঙনরোধে বালু ফেলা শুরু হয়। পরে এ ঘাটের কাছে লঞ্চঘাট এলাকায় নৌপথে নাব্যতা সংকট দেখা দেয়। এ সংকট মোকাবিলায় ‘১৩৬’ ও ‘পদ্মা’ নামের বিআইডাব্লিউটিএর দুটি ড্রেজার দিয়ে দ্রুত খননকাজ চলছে। এতে লঞ্চঘাট থেকে আড়াই হাজার ফুট দৈর্ঘ্য, ২৫০ ফুট প্রস্থ ও গড়ে ১৫ ফুট গভীরতায় ওই চ্যানেলে আড়াই লাখ ঘনমিটার মাটি খননের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত এক লাখ ৩০ হাজার ঘনমিটার পলি-বালু অপসারণ করা হয়।

এদিকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচলে যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেজন্য বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ফেরির চ্যানেলগুলো সার্ভে করা হচ্ছে। পরে পরিস্থিতি অনুযায়ী সেখানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিআইডাব্লিউটিএর ড্রেজিং বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আ স ম মাশরেকুল আরেফিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নৌপথের দৌলতদিয়া প্রান্তে সৃষ্ট নাব্যতা সংকট মোকাবিলায় ড্রেজিং অব্যাহত আছে। ফেরি চলাচলে চ্যানেল পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে। ’


মন্তব্য