kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


আগুনে পাঁচ মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করতে দুটি কমিটি

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি   

১৪ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ গেণ্ডাবাড়িতে আগুনে একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে। পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের দুটি তদন্তদল বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেছে।

দুর্গাপূজার ছুটিতে নিজ বাসায় গিয়ে পুলিশ কনস্টেবল খরেশ চন্দ্র রায় মঙ্গলবার ভোরে অগ্নিকাণ্ডের শিকার হন। এ ঘটনায় স্ত্রী কেয়া রানী, মেয়ে নাইস, ছেলে নির্ণয় ও শ্যালিকা সন্ধ্যা রানীসহ কনস্টেবল খরেশ চন্দ্রের মৃত্যু ঘটে। এক পরিবারের পাঁচ সদস্যের এ মর্মান্তিক মৃত্যুতে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের পৃথক তদন্তদল বুধবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। প্রায় দুই ঘণ্টা তারা ঘরের ভেতর ও বাইরে বিভিন্ন বিষয় যাচাই করে এবং আলামত সংগ্রহ করে। এ পরিবারের অন্য সদস্যদের পাশাপাশি প্রতিবেশীদের সঙ্গে আলাপ করে তদন্তকারীরা। অগ্নিকাণ্ডের কারণ নির্ণয়ের চেষ্টা করছে তারা।

তদন্ত কমিটির অন্যতম সদস্য ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আনিসুর রহমান বলেন, কনস্টেবল খরেশ চন্দ্র বাড়ির ভেতর থেকে তালা দিয়ে ঘুমাতেন। ঘটনার সময় ভেতর থেকে তালা থাকায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রধান ফটক ও জানালা ভেঙে উদ্ধারকাজ চালান। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে আগুনের কারণ সম্পর্কে মত দেওয়া যাচ্ছে না। পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার বলেন, আগুনের কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনে  বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকদের সহায়তা নেওয়া হবে। জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আশরাফুল ইসলাম বলেন, ফায়ার সার্ভিস, পল্লীবিদ্যুৎ ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। দ্রুতই আগুনের কারণ বের করা যাবে।

পুলিশের তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেওয়ান লালন আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় কিছু আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে মামলা হয়নি, প্রক্রিয়াধীন। এটি দুর্ঘটনা নাকি আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে তা যাচাই করা হচ্ছে। তবে তদন্তের স্বার্থে অনেক কিছু বলা সম্ভব নয়। নিহত পাঁচজনের মৃতদেহ ময়নাতদন্ত শেষে মঙ্গলবার রাতে ভোমরাদহ গেণ্ডাবাড়িতে সত্কারকার্য করা হয়েছে।


মন্তব্য