kalerkantho


ঝালকাঠিতে আ. লীগ নেতার নামে আদালতে নালিশি অভিযোগ

ঝালকাঠি প্রতিনিধি   

১২ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



চাঁদাবাজির অভিযোগে ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি সালাহউদ্দিন আহম্মেদ সালেকসহ চারজনের নামে আদালতে একটি নালিশি অভিযোগ করা হয়েছে। সালেকের ভাই ফজলুল হক মিল্টনের ছেলে শহর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাদিম মাহামুদ বাদী হয়ে গত সোমবার দুপুরে ঝালকাঠির জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে অভিযোগটি করেন। পরে আদালতের বিচারক এইচ এম কবির হোসেন অভিযোগ গ্রহণ করে বরিশাল পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।

অন্য অভিযুক্তরা হলেন, পারকিফাইত নগরের মো. হানিফ হাওলাদার, পশ্চিম ঝালকাঠির আবুল হোসেন তালুকদার ও আবাসন প্রকল্পের আব্দুর রহমান।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ঝালকাঠি পৌর এলাকার উত্তর কিস্তাকাঠি আবাসন প্রকল্পের কাছে নাদিম মাহমুদের বাবার এক একর চার শতাংশ জমিতে একটি মাছের ঘের আছে। সালাহউদ্দিন আহম্মেদ সালেকেরও একই এলাকায় সমপরিমাণ জমি আছে। সালেক সেখানে একটি অটোরাইস মিল নির্মাণ করতে যাচ্ছেন। কিছুদিন ধরে নাদিম মাহমুদের বাবার জমিটি কেনার জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন সালেক।

কিন্তু নাদিমের বাকপ্রতিবন্ধী বাবা রাজি না হলে সালেক তাঁদের সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ দিয়ে শায়েস্তা করার হুমকি দেন। কয়েক দিন আগে সালেকের নির্দেশে অপর তিন অভিযুক্ত নাদিমের ঘেরে বিষ ঢেলে দুই লাখ টাকার মাছ নিধন করে। গত ৭ অক্টোবর আওয়ামী লীগ নেতা সালেকের নির্দেশে হানিফ, আবুল ও রহমানসহ সাত-আটজন নাদিম ও তাঁর বাবা ফজলুল হককে জমি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ দেয়। জমি না দিলে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে তারা। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তাঁদের মারধর করে ৫২ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় অভিযুক্তরা।

তবে নাদিমের এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সালাহউদ্দিন আহম্মেদ সালেক বলেন, ‘এসব অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি তাঁদের কাছে জোর করে জমি কিনতেও চাইনি, চাঁদাও দাবি করিনি। ’


মন্তব্য