kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নদীদূষণ রোধ বিষয়ক গোলটেবিলে নৌপরিবহনমন্ত্রী

২০১৮ সালের মধ্যে সুফল দেখা যাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



২০১৮ সালের মধ্যে নদীদূষণ রোধে নেওয়া উদ্যোগের প্রাথমিক সুফল দেখাতে পারব। নদী বাঁচাতে আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে।

দখল ও দূষণ করে যারা নদীর প্রাণহানি ঘটাচ্ছে, তারা নিষ্ঠুর, বর্বর, এ যুগের রাজাকার। নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অ্যাসোসিয়েশন ফর ল রিসার্চ অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস (অ্যালার্ট) আয়োজিত ‘নদী ও আমাদের অর্থনীতি’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশে একসময় ২৪ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ছিল। বিগত সরকারগুলোর অবহেলার কারণে তা এসে বর্ষা মৌসুমে ছয় হাজার ২০০ কিলোমিটার এবং শুষ্ক মৌসুমে তিন হাজার ৬০০ কিলোমিটারে এসে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ১১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৩টি নৌপথ খননের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ২৪টি নৌপথ ও বিশেষায়িত ১২টি নৌপথ খনন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। নদী খনন ও নৌবন্দর উন্নয়নে বিশ্বব্যাংক তিন হাজার ২০০ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা দিয়েছে।

অ্যালার্টের সুপ্রিম কোর্ট শাখার সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ড. এস আই খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. সৈয়দা বদরুন্নাহার চৌধুরী, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, অ্যাডভোকেট মো. নাসিরউদ্দিন খান সম্রাট, অ্যাডভোকেট মো. জাকির হোসেন ও আমিনুল হক ভূইয়া।


মন্তব্য