kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বিচার বিভাগীয় তদন্তে লক্ষ্মীপুরে তরুণী হত্যাচেষ্টার মামলা

আসামি জেলা বিএমএ সভাপতি

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি   

১১ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



লক্ষ্মীপুরে তরুণী ফারহানা আক্তারের (৩২) ওপর হামলার ঘটনায় এবার নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে জেলা বিএমএ সভাপতিসহ চারজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। গত রবিবার সদর থানায় করা মামলার বিষয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে গতকাল সোমবার দুপুরে ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করেন ফারহানা।

বিচারক ঘটনাটির বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হলেন বিএমএ জেলা সভাপতি ও জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডাক্তার আশফাকুর রহমান মামুন এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরো তিনজন। মামলার বাদী আহত তরুণী ফারহানা আক্তার লক্ষ্মীপুরে সেভ দ্য চিলড্রেনের মা মনি প্রকল্পে কর্মরত এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে লক্ষ্মীপুর মহিলা কলেজ থেকে ডিগ্রি পরীক্ষা দিচ্ছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, সেভ দ্য চিলড্রেনের মা মনি প্রকল্পে চাকরি করার সুবাদে ফারহানা আক্তারের সঙ্গে ডাক্তার মামুনের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে ফারহানার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করার প্রস্তাবে রাজি না হলে বিয়ের প্রস্তাব দেন মামুন। এতে রাজি না হলে ফারহানাকে চাকরি করতে না দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে বিয়ে করার আশ্বাসে মামুন ঢাকার তিতুমীর কলেজের সম্মুখে হোটেল অবকাশে নিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করেন। পরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি সিলেটে নিয়ে যান। সেখানে সুরমা ভ্যালি রেস্টহাউসে মামুন রুম ভাড়া নিয়ে সেখানেও ফারহানাকে ধর্ষণ করেন। ২৭ ফেব্রুয়ারি ডাক্তার ইমামুল, কাজী ও দুই সাক্ষীর উপস্থিতিতে ৩০ লাখ টাকা দেনমোহরে মামুনের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। পরে বিয়ের কাবিন দাবি করলে তাঁকে হুমকি দেন ডাক্তার মামুন। পরে গত ৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর শহরের শাখারীপাড়ায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে আঘাত করা হয়।


মন্তব্য