kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কালের কণ্ঠ’র প্রতিনিধি পেলেন মীনা অ্যাওয়ার্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



কালের কণ্ঠ’র প্রতিনিধি পেলেন মীনা অ্যাওয়ার্ড

রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে গতকাল তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু কালের কণ্ঠ’র পটুয়াখালী প্রতিনিধি এমরান হোসেন সোহেলের হাতে মীনা অ্যাওয়ার্ড-২০১৬ তুলে দেন। ছবি : কালের কণ্ঠ

কালের কণ্ঠ’র পটুয়াখালী প্রতিনিধি এমরান হোসেন সোহেল মীনা অ্যাওয়ার্ড-২০১৬ পেয়েছেন। শিশু অধিকার অর্জনে রিপোর্টিং শাখায় এই পুরস্কার পান তিনি।

এ ছাড়া আলোকচিত্র শাখায় প্রথম পুরস্কার পেয়েছেন ডেইলি সানের প্রধান ফটো সাংবাদিক বায়জীদ আক্তার। রিপোর্টিং শাখায় বাংলানিউজের সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট মাজেদুল নয়ন দ্বিতীয় পুরস্কার লাভ করেন। গতকাল রবিবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলের বলরুমে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

পুরস্কার প্রদান শেষে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মীনা কার্টুনের মাধ্যমে বাল্যবিবাহ রোধ, যৌতুক প্রথা বন্ধ, শিশুদের মতামতের অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন বার্তা সমাজে পৌঁছানো হচ্ছে। মীনার মাধ্যমে শিশুদের আচরণে ব্যাপক পরিবর্তন আসছে। তাই মীনাকে আমরা সমাজ পরিবর্তনের প্রতিনিধি হিসেবে বিবেচনা করি। ’ তিনি বলেন, ‘মীনার মতো সামাজিক আচরণ পরিবর্তনে যেসব গণমাধ্যমকর্মী কাজ করে যাচ্ছেন, মীনা অ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমে তাঁদের কাজের স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে। তাঁরাও মীনার মতো আমাদের সমাজের মানুষের আচরণ পরিবর্তনের প্রতীক। ’

গণমাধ্যমে শিশু অধিকারবিষয়ক সংবাদ প্রকাশের জন্য এমরান হোসেন সোহেলসহ ৪৮ জনকে ইউনিসেফ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১২তম মীনা অ্যাওয়ার্ড দেয়। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন আলোকচিত্র শাখায় মাহবুব হোসেন নবীন (সমকাল), রেডিও শাখায় মোস্তাফিজুর রহমান (বাংলাদেশ বেতার), সাহেলা রোকসানা (বিবিসি বাংলা), আদ-দ্বীন সজীব (রেডিও টুডে), টিভি রিপোর্টিং শাখায় এস এম নুরুজ্জামান (যমুনা টিভি), আনোয়ার হোসেন ও কাওসার শেলী (মাছরাঙা টিভি), খাদিজা নাহার রীতা (বৈশাখী টিভি)।

প্রতিযোগীদের মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরস্কার বিজয়ীদের যথাক্রমে ৫০ হাজার, ২৫ হাজার ও ১৫ হাজার টাকা এবং ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি জিডুলা মাসিকু, অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড পার্টনারশিপ সেকশনের চিফ কমিউনিকেশন সীমা ইসলাম, বিবিসির সংবাদদাতা কাদির কল্লোল প্রমুখ।


মন্তব্য