kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ

১২,৬১৯ জনের তালিকা প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



১২,৬১৯ জনের তালিকা প্রকাশ

বেসরকারি স্কুল-কলেজে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের জন্য ১৪ হাজার ৬৬৯টি শূন্যপদের বিপরীতে কেন্দ্রীয়ভাবে নির্বাচিত ১২ হাজার ৬১৯ জনের তালিকা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ঘোষিত ফলাফল অনুসারে, ৯২২ শূন্যপদে এবার কোনো আবেদনই জমা পড়েনি।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ গতকাল রবিবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তালিকা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে এটা ‘মাইলফলক’। মনোনীতরা সরাসরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন। শতভাগ স্বচ্ছ ও বিড়ম্বনামুক্ত এ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভালো শিক্ষক পাবে।

পরিচালনা পর্ষদের ক্ষমতা খর্ব করে বেসরকারি স্কুল-কলেজে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে এবার কেন্দ্রীয়ভাবে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের এই তালিকা ঠিক করে দিল বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষক নির্বাচন করে দিতে দেশের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি ও সমপর্যায়ের ছয় হাজার ৪৭০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৪ হাজার ৬৬৯টি শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগের চাহিদার তথ্য এনটিআরসিএতে এসেছিল। প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ দুই লাখ ৪৯ হাজার ৫০২ জন প্রার্থী ওই সব পদে নিয়োগ পেতে অনলাইনে আবেদন করেন। একেকজন প্রার্থীর একাধিক প্রতিষ্ঠানে আবেদন করার সুযোগ থাকায় মোট আবেদনের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৩ লাখ ৭৫ হাজার ১৮৭টি। সফটওয়্যারের মাধ্যমে শূন্যপদের বিপরীতে প্রার্থী বাছাই করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শরীর চর্চা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পদসহ ৭১৮টি পদের বিপরীতে কোনো আবেদন পাওয়া যায়নি। আর ২০৪টি মহিলা কোটা পদে কোনো আবেদন পাওয়া যায়নি। এর বাইরে মামলার কারণে ৬৮৫টি পদের বাছাই স্থগিত রয়েছে। মামলার কারণে কম্পিউটার শিক্ষকের এক হাজার ৯৫টি শিক্ষকের পদের নিয়োগও স্থগিত রয়েছে। দুই হাজার ৩৯৩ জন প্রার্থী একাধিক প্রতিষ্ঠানের জন্য মনোনীত হয়েছেন। তাঁদের পছন্দের প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করার সুযোগ দেওয়া হবে। তাঁদের ছেড়ে দেওয়া আসনটিতে দ্বিতীয় মনোনীতরা নির্বাচিত হবেন। সব মিলিয়ে এবার ১২ হাজার ৬১৯টি পদের প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হলো।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতিকে এসএমএস করে ফল জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচিত প্রার্থীরা কোন স্কুল-কলেজে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন, তা তাঁদের এসএমএস করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘কারো কাছে টাকা চাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ’


মন্তব্য