kalerkantho


রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় দুজনের আত্মহত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



প্রেমিকের সঙ্গে অভিমান করে প্রেমিকার ও স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে স্বামীর আত্মহত্যার দুটি ঘটনা ঘটেছে গতকাল শনিবার। আত্মহত্যার আরেকটি ঘটনার কারণ জানা যায়নি।

তিনটি ঘটনাই ঘটেছে রাজধানীতে।

নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুমাইয়া ইসলাম তামিরা প্রেমিকের সঙ্গে অভিমান করে আত্মহত্যা করেন। তিনি এমবিএ কোর্সে ভর্তি হয়েছিলেন। তাঁর বাবার নাম শফিকুল ইসলাম মুকুল। তিনি মা-বাবার সঙ্গে ডেমরার কোনাপাড়ায় থাকতেন।

সুমাইয়ার মা সালমা বেগম বলেন, ‘ফাহাদ নামের এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল তাঁর মেয়ের। ফাহাদ কানাডাপ্রবাসী। গতকাল সকালে ফোনে কথা বলার সময় তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। এরপর থেকে তার মন খারাপ ছিল।

সকাল ১০টার দিকে তিনি ছোট ছেলেকে নিয়ে স্কুলে যান। ফিরে এসে দেখেন, বাসার দরজা বন্ধ। বাসায় ঢুকে দেখেন, সুমাইয়া গ্রিলের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছে। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ’

যাত্রাবাড়ীতে স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে আত্মহত্যা করেন রাইসুল রনি নামের এক যুবক। তাঁর ভাই মোস্তাফিজ জানান, তাঁদের বাবার নাম গোলাম মোস্তফা। গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরে। রনি যাত্রাবাড়ীর কাজলায় থাকতেন। ইলেকট্রিক সরঞ্জামের দোকানের কর্মচারী ছিলেন তিনি। গতকাল দুপুরের দিকে স্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় ঝগড়া হয় তাঁর। এরপর রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন তিনি। ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখা যায়, ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলছেন তিনি। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাজারীবাগের কাজীবাগের ১৮৩ নম্বর বাড়িতে গতকাল গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন আসা উল্লাহ ইমন। তাঁর বাবার নাম মরহুম আমির উল্লা সেন্টু। ইমনের বড় বোন মনিরা আমির বলেন, ‘বিকেল ৪টার দিকে বাসায় এসে দেখি, ইমন গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছে। তার স্ত্রী ওয়াসিয়া বাসায় ছিল না। সে তেমন কিছু করত না। ’ ইমন কী কারণে আত্মহত্যা করেছেন, তা বলতে পারেননি তিনি।


মন্তব্য