kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


শত নাগরিক কমিটির সেমিনার

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



বাগেরহাটের রামপালের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরবনের ক্ষতি করবে দাবি করে তা অন্য কোথাও সরিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনুরোধ করেছেন আলোচকরা। সুন্দরবনের ক্ষতি হলে ১০০ বছর পর হলেও কেন্দ্রটির পক্ষের লোকদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হতে পারে বলে হুঁশিয়ার করেছেন তাঁরা।

পাশাপাশি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের বিষয়ে জনগণের মতামত নেওয়ার জন্য গণভোটের আয়োজন করার আহ্বান জানানো হয়।

রাজধানীর পুরানা পল্টনের একটি হোটেলে আয়োজিত ‘রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধের প্রয়োজনীয়তা : হুমকির মুখে সুন্দরবন’ শীর্ষক সেমিনারে গতকাল শুত্রবার তাঁরা এই অনুরোধ জানান। বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবীদের সংগঠন শত নাগরিক জাতীয় কমিটি এ সেমিনারের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, আবদুল কাদের সিদ্দিকী, আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, কবি আবদুল হাই সিকদার প্রমুখ।

বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, ‘১০০ বছর পরে হলেও অন্যায়ের বিচার হয়, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার হয়েছে। রামপালের কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য দেশের ও সুন্দরবনের যে ক্ষতি হবে, তার জন্যও একদিন তাদের (বর্তমান সরকার) কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হতে পারে। ’

এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, ‘আমরা সরকারের বিরোধিতা করার জন্য কথাগুলো বলছি না। কারণ সুন্দরবন ধ্বংস হোক, এটি কেউ চায় না। আমাদের প্রধানমন্ত্রীও চান না। এটি কোনো দলীয় ব্যাপার নয়, এটি একটি জাতীয় স্বার্থ। তাই জাতীয় স্বার্থে সবাইকে এক হয়ে কথাগুলো বলা উচিত। ’

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে কি না তা নিয়ে জনগণের মতামতের জন্য গণভোট আয়োজন করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিষয়ে কেন প্রধানমন্ত্রী কথা বলবেন? আর আমার প্রশ্ন হচ্ছে, ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু বুঝতে পেরেছিলেন রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র হলে সুন্দরবনের ক্ষতি হবে। তবে কেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা হয়ে তিনি (শেখ হাসিনা) সেটা বুঝতে পারছেন না?’

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকরের সামপ্রতিক একটি বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন কাদের সিদ্দিকী।


মন্তব্য