kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


রামু হামলার চার বছর

‘সাম্প্রদায়িক হামলা রোধে উদ্যোগ নিতে হবে সরকারকেই’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এলে সাম্প্রদায়িক হামলা হয়, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেও তাই। এসব হামলা এখনো থেমে নেই।

সংখ্যালঘুদের জমি দখল, মন্দির-পূজামণ্ডপে হামলা হচ্ছে। তদন্ত কমিটির মাধ্যমে প্রতিটি সাম্প্র্রদায়িক হামলার ঘটনায় দায়ীদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনলে এ রকম হামলা বন্ধ হবে। আর এ জন্য সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে।

রামু সহিংসতার চার বছর পূর্তিতে গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাম্প্রদায়িক সহিংসতাগুলোর বিশ্লেষণে আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা। মানবাধিকার নেত্রী ড. হামিদা হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অংশ নেন তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জুনায়েদ সাকি, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য মেঘনা গুহঠাকুরতা, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, রামুর ঘটনায় এখনো বিচার শেষ না হওয়ায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে হতাশা নেমে এসেছে। রামুর মন্দিরে আগুন দেওয়ায় ধর্মের ক্ষতি হয়নি। সমস্যা হয়েছে সহাবস্থানে, বিশ্বাসে। রাজনীতি এই ঘটনার পেছনে প্রথম থেকেই হাওয়া দিয়েছে। ফলে কারো দায়বদ্ধতাই নিশ্চিত করা যায়নি। যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ রকম হামলার খবর জেনেও রবীন্দ্রসংগীত গাওয়ায় ব্যস্ত ছিলেন তাঁকে কোনো জবাবদিহি করতে হয়নি। তিনি উল্টো পদোন্নতি পেয়েছেন। যে জেলা প্রশাসক হামলার কথা শুনেও বিদায় সংবর্ধনা বন্ধ করে ঘটনাস্থলে ছুটে যাননি তাঁকেও জবাবদিহি করতে হয়নি। তখনকার পুলিশ সুপারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যেসব সদস্য নির্ধারিত কর্ম সম্পাদনে ব্যর্থ হলেন তাঁদের কোনো জবাবদিহি করতে হয়নি।  

বক্তারা বলেন, এ ঘটনার বিচার আদৌ শেষ হবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। আর রামু-উখিয়ার ঘটনার সঠিক বিচার না হলে এ রকম সাম্প্রদায়িক হামলা চলতেই থাকবে।


মন্তব্য