kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ফিটনেস

ব্যায়াম করতে হবে গোড়ালিরও

৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



ব্যায়াম করতে হবে গোড়ালিরও

অনেকেই গোড়ালির সমস্যায় ভোগেন। আর এটি যদি কেউ অবহেলা করে তাহলে তাঁকে বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে হতে পারে।

এমনকি যেতে হতে পারে অস্ত্রোপচারের টেবিলেও। আর তাই গোড়ালির যত্নটা খুবই জরুরি। কাঁধ, নিতম্ব এবং হাঁটুর সঙ্গে মিলিতভাবে গোড়ালি শরীরের ভার বহন করে। মূলত গোড়ালিকেই সবচেয়ে বেশি ভার বহন করতে হয়। একটি চেয়ারের সঙ্গে তুলনা করলেই বিষয়টি সহজ হয়ে যাবে। চেয়ারের জোড়গুলোকে অস্থিসন্ধি ভেবে নিই। চেয়ার নিয়ে বেশি নাড়াচাড়া করলে জোড়গুলো দুর্বল হয়ে পড়ে। তখন কোনো জোড়ায় বেশি চাপ পড়লে চেয়ার ভেঙে যেতে পারে। একইভাবে শরীরের অস্থিসন্ধিগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে কোনো অস্থিসন্ধির ওপর বেশি চাপ পড়তে পারে। গোড়ালির ব্যথার মূল কারণই এই অতিরিক্ত ভারবহন।

দ্য ডাউনওয়ার্ড ডগ : পুশ-আপ করুন। হাতের তালু এবং পায়ের পাতা শুধু মাটির স্পর্শে থাকবে। এ অবস্থায় গোড়ালি মাটিতে ছোঁয়ানোর চেষ্টা করতে হবে। ‘কাফ’ মাংসপেশি শক্ত থাকলে পুরো গোড়ালি মাটিতে ছোঁয়ানো কঠিন। এভাবে ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড থাকতে হবে।

স্ট্যাটিক ব্যাক : মাটিতে পিঠ রেখে শুয়ে পড়তে হবে। তালু ওপরের দিকে রেখে দুই পাশে হাত ছড়িয়ে রাখতে হবে। এবার দুই পা ভাঁজ করে এমনভাবে কোনো বক্স বা চেয়ারের ওপর রাখতে হবে যেন দুই হাঁটুতে ৯০ ডিগ্রি কোণ উত্পন্ন হয়। এ অনুশীলনে গোড়ালি ও পায়ের পাতার স্বাভাবিক কাজে সুবিধা হয়।

স্ট্যাটিক ওয়াল : দেয়ালের কাছে মাটিতে চিত হয়ে শুয়ে পড়তে হবে। দুই পা এক জায়গায় করে দেয়ালের স্পর্শে রেখে ওপরে তুলে হবে। পায়ের পাতা ও আঙুল বাঁকিয়ে ‘সিন’ এর দিকে নিয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে। এ সময় শরীরে ওপরের অংশ স্বাভাবিক অবস্থায় রাখতে হবে। এভাবে তিন থেকে পাঁচ মিনিট থাকতে পারলে ভালো। এ অনুশীলনে ঊরু, পায়ের নিচের অংশের মাংসপেশিসহ পায়ের অন্যান্য পেশির নমনীয়তা বাড়ে।


মন্তব্য