kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


গণপিটুনিতে দুই ‘ডাকাত’ নিহত

লক্ষ্মীপুর ও ঝালকাঠি

লক্ষ্মীপুর ও ঝালকাঠি প্রতিনিধি   

৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



লক্ষ্মীপুর ও ঝালকাঠিতে গণপিটুনিতে দুই ‘ডাকাত’ নিহত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে লক্ষ্মীপুর কমলনগরে আবুল হোসেন (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করে জনতা।

পুলিশের দাবি, সে ডাকাতদলের সদস্য ছিল। এদিকে ওই রাত দেড়টার দিকে ঝালকাঠি কাঁঠালিয়ায় জয়দেব পাইক (২৫) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। গ্রামবাসীর দাবি, সে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল।  

লক্ষ্মীপুরের ঘটনায় স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে চর কাদিরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে সিরাজের বাড়িতে ডাকাতি করতে আসে আবুল হোসেন। এ সময় তাকে গণপিটুনি দেয় গ্রামবাসী। এরপর গতকাল শুত্রবার সকালে তাকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। নিহত আবুল হোসেনের বাড়ি নোয়াখালীর আন্ডার চর এলাকায়।

কমলনগর থানার ওসি কবির আহাম্মদ জানান,  তিনজন চুরি করতে গেলে আবুল হোসেন গণপিটুনির শিকার হয়। এ সময় তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। তবে আবুল হোসেন চিহ্নিত ডাকাত বলে শোনা যাচ্ছে। নোয়াখালীসহ আশপাশের বিভিন্ন থানায় তার ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তার মরদেহ লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।

নোয়াখালীর সুধারাম থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, আবুল হোসেনের মৃত্যুর বিষয়টি কমলনগর থানা থেকে জানানো হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে থানায় কোনো মামলা নেই।

ঝালকাঠির ঘটনায় পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে একদল ডাকাত উপজেলার ছোনাউটা গ্রামে মাদ্রাসা শিক্ষক ফোরকান খানের বাড়িতে হানা দেয়। পরিবারের লোকজনকে জিম্মি করে টাকা, স্বর্ণালংকার ও মালামাল লুট করে নেয় তারা। ডাকাতদল যাওয়ার সময় বাড়ির লোকজনের চিত্কারে তিন গ্রামের জনতা একত্রিত হয়ে ধাওয়া করে। এ সময় জয়দেব পাইক নামের এক ডাকাতকে আটক করে গণপিটুনি দেয় গ্রামবাসী। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। অন্য ডাকাতরা পালিয়ে যায়।


মন্তব্য