kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ভুটানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

আঞ্চলিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব প্রধানমন্ত্রীর

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৭ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



আঞ্চলিক সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণে গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে উন্নত যোগাযোগের ওপর এর ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি নির্ভরশীল। ভুটানের সদ্য নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত সোনাম টি রাবগে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাত্কালে তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এখন বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপালের (বিবিআইএন) মধ্যে মোটরযান চলাচল চুক্তি বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছি। ’ এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বিবিআইএন মোটরযান চুক্তি পাস হওয়ায় ভুটানকে ধন্যবাদ জানান।

ভুটানের সঙ্গে জলবিদ্যুৎ সহযোগিতা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশাবাদী যে ভুটানের জলবিদ্যুৎ সম্ভাবনা বাংলাদেশের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর কাজে লাগবে। ভারতও বিবিআইএন কাঠামোর আওতায় বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। আমরা পারস্পরিক স্বার্থে এই নতুন দৃষ্টিভঙ্গি কাজে লাগাতে পারি। ’

বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে বিদ্যমান চমত্কার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে ভুটানের বিশেষ স্থান রয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভুটানের সরকার ও জনগণের দ্ব্যর্থহীন সমর্থনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ভুটান প্রথম বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান চমত্কার সম্পর্কের উল্লেখ করে ভুটানের রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশের উচ্চপর্যায়ে সফর বৃদ্ধি পাওয়ায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো নিবিড় হয়েছে। তিনি স্মরণ করেন যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে সম্পর্কের ভিত স্থাপন করেন।

ভুটানের রাষ্ট্রদূত নারী-পুরুষের সমতা ও নারীর ক্ষমতায়নে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্লানেট ৫০:৫০ চ্যাম্পিয়ন এবং এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড অর্জনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান। এর জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, এই অর্জনের কৃতিত্ব হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণের।


মন্তব্য