kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা

৬ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



গত ২৭ সেপ্টেম্বর কালের কণ্ঠের প্রথম পৃষ্ঠায় ‘নজরদারিতে ঢাকার ১৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা পাঠিয়েছে দারুল উলুম রাহমানিয়া মাদ্রাসা, নিউ মার্কেট কর্তৃপক্ষ। মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা ওয়ালিউল্লাহ আরমান স্বাক্ষরিত ব্যাখ্যায় বলা হয়, ‘সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধী অপতত্পরতার সঙ্গে আমাদের মাদ্রাসার কোনো সম্পর্ক নেই।

আমাদের প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী ও রাষ্ট্রীয় সকল বিধিবিধান ও আইনকানুনের প্রতি সম্পূর্ণ অনুগত ও শ্রদ্ধাশীল। প্রতিষ্ঠানের শতকরা আশি ভাগ শিক্ষার্থী ছয় থেকে ১২ ভাগ শিশু এবং অবশিষ্টরা ১২ থেকে ১৪ বছরের। জঙ্গিবাদের ন্যায় মানববিধ্বংসী অপতত্পরতার সঙ্গে এই বয়সী শিশুদের সম্পৃক্ততার কথা কল্পনায়ও আসে না। ’

এতে আরো বলা হয়, ‘মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ মাওলানা হাসান জামিল সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড়ে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী বায়তুল মামুর জামে মসজিদে খুতবাপূর্ব বয়ানে এবং দেশের বিভিন্ন দ্বীনি মাহফিলে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ইসলামের শান্তির বাণী প্রচার ও প্রসার করে যাচ্ছেন। ’

প্রতিবেদকের বক্তব্য : প্রতিবেদনে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোনো মতামত নেই। সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে রিপোর্টটি প্রকাশ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তাতেই ১৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নজরদারিতে রাখার কথা বলা হয়েছে।


মন্তব্য