kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের স্বজনদের বিরুদ্ধে ফের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের স্বজনদের বিরুদ্ধে ফের মামলা

ফের মামলা দেওয়া হয়েছে হাইকোর্টের বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের স্বজনদের বিরুদ্ধে। উচ্চ আদালত থেকে চাঁদাবাজির মামলায় জামিন নেওয়ার পর তাঁরা আসামি হয়েছেন এবার সরকারি গাছ চুরির অভিযোগে দায়ের করা মামলায়।

মাদারীপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ মামলা তদন্তের জন্য ভূমি কর্মকর্তাকে (এসি ল্যান্ড) দায়িত্ব দিয়েছেন। বিচারপতির পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের নিরাপত্তা দিতে হাইকোর্ট নির্দেশনা দেওয়ার পরও হয়রানি থেমে নেই।

গাছ চুরির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আসামিরা হলেন বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের ভাতিজা কলেজ ছাত্র অনির্বাণ ঠাকুর ও নিপুণ ঠাকুর, অন্য আত্মীয় আড়ুয়াকান্দি নটাখোলা বড়খোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন ঠাকুর, নির্মল ঠাকুর ও প্রতীক ঠাকুর।

বিদ্যালয়টির ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও রাজৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ব্যবস্থাপনা কমিটির এক সভায় স্কুলের গাছ কাটার সিদ্ধান্ত হয়। কয়েকটি গাছ কেটে স্কুলের দোতলা ভবনের দরজা-জানালা নির্মাণসহ অন্যান্য কাজ করা হয়। ওই গাছ কিন্তু বিক্রি করা হয়নি। আদালত গাছ চুরির অভিযোগটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তাই এ বিষয়ে কিছু বলা ঠিক হবে না।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বপন ঠাকুর বলেন, ‘২০১৫ সালের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১২টি গাছ কাটা হয়। সেগুলো দিয়ে বিদ্যালয়ের দরজা-জানালাসহ যাবতীয় কাজ করা হয়েছে। অথচ ওই গাছ কাটার অভিযোগে আমাদের আত্মীয়স্বজনদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। গত ১২ আগস্ট গাছ কাটা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে। ’

বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের ১০ আত্মীয়কে আসামি করে গত ১২ সেপ্টেম্বর রাজৈর থানায় একটি চাঁদাবাজির মামলা হয়। এ মামলায় গত ১৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট থেকে তাঁরা জামিন নেন। এ ছাড়া পৃথক এক রিট আবেদনে গত ৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দেন। ওই বিচারপতির বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে করা মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী ৩৭ জনের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আদালতে দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।


মন্তব্য