kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বসুন্ধরায় গাড়িসহ দুই ছিনতাইকারী হাতেনাতে আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



বসুন্ধরায় গাড়িসহ দুই ছিনতাইকারী হাতেনাতে আটক

ছিনতাই করে পালানোর সময় গতকাল বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নিরাপত্তাকর্মীদের হাতে আটক দুই ছিনতাইকারী (বাঁয়ে)। ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার। ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এক তরুণীর ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর সময় দুই ছিনতাইকারীকে ধরে পুলিশে দিয়েছেন নিরাপত্তাকর্মীরা। ছিনতাইকারীদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কারটিও জব্দ করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে ভাটারা থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার দুজন হলো নুরুল আমিন ওরফে রুহুল (২২) ও আল আমিন (২০)। রুহুল রাজধানীর কুড়িল এলাকায় থাকে, তার বাবার নাম শাহ আলম। আল আমিন থাকে রাজধানীর মানিকদি এলাকায়, তার বাবার নাম মো. হাওলাদার। পুলিশ বলছে, দুজনই সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারীচক্রের সদস্য। তারা গাড়ি চুরির সঙ্গেও জড়িত।    

ভাটারা থানার ওসি মো. নূরুল মুত্তাকিন কালের কণ্ঠকে বলেন, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এ ব্লকের ৪ নম্বর রোডে রিকশাযাত্রী এক ছাত্রীর ব্যাগ নিয়ে পালানোর সময় ওই দুই ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে ধরে ফেলেন বসুন্ধরার নিরাপত্তাকর্মীরা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কারটিও (ঢাকা মেট্রো-গ ৩৭-১৬৮২) জব্দ করা হয়।  

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই তরুণী কালের কণ্ঠকে বলেন, তিনি বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়েন। ক্লাস শেষ করে সন্ধ্যা ৭টার দিকে রিকশায় বাসায় ফিরছিলেন। এ ব্লকের ৪ নম্বর রোডে ঢোকার মুখে প্রাইভেট কারে আসা ছিনতাইকারীরা তাঁর কাছে থাকা ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। তিনি চিত্কার করলে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা ধাওয়া করে ছিনতাইকারীদের ধরে ফেলেন। ব্যাগটি ফেরত না পেলেও তিনি তার ভেতরে থাকা মোবাইল ফোন, চশমা ও টাকা ফেরত পেয়েছেন।

বসুন্ধরার নিরাপত্তাকর্মীরা জানান, ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা দ্রুত প্রাইভেট কারসহ ছিনতাইকারীদের ধরে ফেলেন। এরপর খবর পেয়ে পুলিশ এসে ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

গ্রেপ্তার দুই ছিনতাইকারী জানায়, তাদের ব্যবহৃত প্রাইভেট কারটির মালিকের নাম রনি। রনিও গাড়ি চোর চক্রের সদস্য। ছিনতাই করার জন্যই সে তাদের গাড়িটি দিয়েছিল।

ওসি নূরুল মুত্তাকীন বলেন, রুহুল ও আল আমিন থানার তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। তাদের ধরার চেষ্টা চলছিল। এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে অনেককে জিম্মি করে ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে। এ চক্রের দলনেতা অর্থাৎ ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত প্রাইভেট কারের মালিককেও গ্রেপ্তার করা হবে।


মন্তব্য