kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সমস্যা সমাধানের দক্ষতা

৪ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



সমস্যা সমাধানের দক্ষতা

১. বাস্তববাদী ও সৃজনশীল হওয়া : বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সমাধানের জন্য একই সঙ্গে বাস্তববাদী ও সৃজনশীল হওয়া প্রয়োজন। কখনো কখনো এটি অনেকের কাছেই বিভ্রান্তিকর হতে পারে।

কিন্তু কয়েকটি অপশন থেকে যেটি ভালো, সেটি নির্ণয় করার জন্যও এ দক্ষতার প্রয়োজন হয়। আর এ ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে বাস্তবতার ওপর দাঁড়িয়ে কল্পনাকে বিস্তৃত করা।

২. ইতিবাচক হওয়া : ইতিবাচক হওয়ার গুরুত্ব কখনোই হেলাফেলা করা উচিত নয়। একটি গ্লাসের অর্ধেকটি খালি নয় বরং অর্ধেকটি ভরা হিসেবেই দেখুন। এটি আমাদের আচরণ, মানসিকতা ও দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে সহায়তা করবে। কাজের সময় আমরা যখন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করি তখন এ বিষয়টি সহায়ক হয়ে ওঠে। আর মানসিকতায় যদি ইতিবাচকতা না থাকে তাহলে সমস্যা সমাধানের বদলে তা বরং আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে। সমস্যা ক্রমে সমাধানের অযোগ্য হয়ে যেতে পারে।

৩. মানসিকতা পরিবর্তনের ক্ষমতা : পরিবর্তনকে সবাই সহজভাবে গ্রহণ করতে পারে না। একজনের মনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা কোনো একটি বিশ্বাস হঠাৎ করে দূর করা যায় না। কিন্তু যারা এ কাজটি দ্রুত করতে পারে তারা সমস্যা সমাধানে সফল হয়। কর্মক্ষেত্রে বহু ধরনের মানুষের সঙ্গে কাজ করতে গেলে স্বভাবতই তাদের মানসিকতার সঙ্গে মিলিয়ে চলতে হয়। আর যাদের এ পরিস্থিতিতে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার মতো মানসিকতা থাকে তাদের যেকোনো বাস্তব সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বেশি হয়।

৪. পরিষ্কার যোগাযোগের দক্ষতা : ভুল বোঝাবুঝি এড়িয়ে চলতে যোগাযোগের দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনার যদি নিজের কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরার ক্ষমতা থাকে তাহলে তা বহু সমস্যা সমাধান করে দেয়। আর এ দক্ষতা না থাকলে কোনো কোনো পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠতে পারে। এ জন্য সবার আগে যেটা প্রয়োজন তা হলো—নিজের প্রতিটি কথা বলার আগে চিন্তা করে নেওয়া। আপনার নিজের আইডিয়াগুলোকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করুন। এরপর তা প্রয়োজন অনুযায়ী স্পষ্ট করে উপস্থাপন করুন।

বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে ওমর শরীফ পল্লব


মন্তব্য