kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বেনাপোল বন্দরে অগ্নিকাণ্ড

শেড থেকে ধোঁয়া বেরোচ্ছে এখনো ক্ষতিপূরণ দাবি

বেনাপোল প্রতিনিধি   

৪ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০



যশোর বেনাপোল স্থলবন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর ২৩ নম্বর শেড থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখা গেছে। ধোঁয়া আর পোড়া গন্ধে আশপাশের লাকজনের স্বাভাবিক কাজকর্ম  ব্যাহত হচ্ছে।

পুড়ে যাওয়া ধ্বংসস্তূপ এখনো সরানো হয়নি। বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল গলে পানিতে ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে বন্দরের মালামাল লোড-আনলোডে সাময়িক অসুবিধা দেখা দিয়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সরেজমিনে ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বৈদ্যুতিক শর্টশার্কিট বা সিগারেটের আগুন থেকে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে বন্দরসংশ্লিষ্ট অনেকেই প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে।

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত আমদানিকারকরা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। গতকাল অধিকাংশ আমদানিকারক ধ্বংসস্তূপ পরিদর্শন করে কান্নায় ভেঙে পড়েন। সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন দাবি করেছেন, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

গত রবিবার ভোর ৫টার দিকে বেনাপোল স্থলবন্দরের গুদামের ২৩ নম্বর শেডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে আমদানিকৃত প্রায় ১০০ কোটি টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। শেডটিতে বিভিন্ন গার্মেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজ ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের নামে আমদানিকৃত কাপড়, ডাইস, বিভিন্ন কেমিক্যাল, মেশিনারি পার্টস, মোটর পার্টস, ফাইবার, মশা তাড়ানো স্প্রে নিউ হিট, তুলা অ্যাসোসিয়েটস গুডস ও কাগজ ছিল।

ঘটনার পর বেনাপোল বন্দরের সহকারী পরিচালক আবদুল হান্নানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত কমিশনার ফিরোজ উদ্দিনকে প্রধান করে চার সদস্যবিশিষ্ট অন্য একটি কমিটি গঠন করেছে। তারা সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে বন্দর ও কাস্টম—এই দুই তদন্ত কমিটি গতকাল সকাল থেকে কাজ শুরু করেছে।


মন্তব্য